হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণ, দুই তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহন, অক্টোবর ২১, ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির দাবি, প্রণালির দক্ষিণে মাইন বিস্ফোরণের ফলে জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়। একই রাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে ইরান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাতে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে ইরানের ঘোষিত নিষিদ্ধ পথে চলাচল করছিল তেলবাহী ট্যাংকার দুটি। সেখানে আইআরজিসির নৌবাহিনীর পেতে রাখা মাইনে বিস্ফোরণ ঘটলে জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়।

তবে ট্যাংকার দুটির নাম, সেগুলোর মালিকানা, হতাহতের ঘটনা কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নজরদারি চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ চালকবিহীন ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে আইআরজিসি। বাহিনীটির ভাষ্য, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করার পর সেটিতে হামলা চালানো হয়।

হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা নিষিদ্ধ পথে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে আবারও সতর্ক করেছে আইআরজিসির নৌবাহিনী। ওই পথে চলাচল করলে জাহাজে আগুন ধরে যাওয়ার মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাহিনীটি।

Nagad

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তেল কোম্পানিগুলোকে আরও বড় মূল্য দিতে হবে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে ‘আধিপত্যবাদী’ আখ্যা দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, দেশটির উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বিবৃতিতে ইরানের জনগণের প্রতিরোধের প্রশংসা করে আইআরজিসি জানায়, ২৩০ রাতের বেশি সময় ধরে রাজপথে মানুষের অব্যাহত উপস্থিতি বড় বিজয় এনে দিয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ মহাদেশে মানুষের সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা বেড়েছে বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী ওই অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার পাশাপাশি দেশের নেতা ও জনগণের প্রতি দেওয়া অঙ্গীকারেও তারা অবিচল রয়েছে।

সূত্র: ফারস নিউজ এজেন্সি ও মেহের নিউজ এজেন্সি।