রমজানের আগেই বাড়ল ছোলার দাম, কেজিতে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৮ পূর্বাহ্, নভম্বর ৬, ২০২৬

রমজান শুরু হতে এখনো কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বেড়েছে কেজিতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ছোলার পাশাপাশি ছোলার ডালের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। গত সপ্তাহেও যা ১০০ টাকার মধ্যে ছিল। একইভাবে ছোলার ডালের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে।

মালিবাগ এলাকার ভাই ভাই স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পাইকারি আড়তদাররা ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে যে ছোলা ৯২ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে কিনেছেন, এখন সেটিই পাইকারিতে ১০২ থেকে ১০৫ টাকা পড়ছে।

তিনি বলেন, রমজান আসার আগেই পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী জামিল হোসেন বলেন, রমজান আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি। এর মধ্যেই ছোলার দাম বাড়া পুরোপুরি সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রতি বছর রমজানের অজুহাতে আগেভাগেই বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ পড়ে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজির দামও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে নেমেছে। তবে গ্রীষ্মকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। বেগুন, শসা ও গাজরের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি।

Nagad

পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তবে আদা-রসুনের দাম এখনো চড়া। প্রতি কেজি রসুন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকটও কাটেনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৫ থেকে ২১০ টাকা দরে। এছাড়া চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং মানভেদে মসুর ডাল ৯০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ফার্মের মুরগির ডিম পাইকারি বাজার-সংলগ্ন এলাকায় কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিমের দাম পড়ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা কম।

মুরগির বাজারে অবশ্য বড় কোনো পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারও রয়েছে চড়া। প্রতি কেজি পাঙাশ ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই ও কাতলা ৩৬০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং আকার ও মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।