সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের ১৭ বছর কারাদণ্ড

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২৪ অপরাহ্ণ, ২৫/০৫/২০২২

সংগৃহীত ছবি-

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ৯ জনকে পৃথক দুই ধারায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আসামিরা হলেন- ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ূন কবির, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মাইনুল হক, সফিজ উদ্দিন আহমেদ, জিএম ননী গোপাল নাথ ও ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন। এজিএম সাইফুল হাসান ও কামরুল হোসেন এবং পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও প্যারাগন নিট কম্পোজিট লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা।

বুধবার (২৫মে) ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম বলেন, বিচারক সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে ৯ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন। অর্থদণ্ডের টাকা প্রত্যেকের কাছ থেকে সমহারে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়যোগ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, বিচারক প্রতারণার দায়ে আরেক ধারায় প্রত্যেককে সাত বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন। সে অর্থদণ্ড দিতে ব্যর্থ হলে আরও তিন মাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে দুটি ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে আসামিদের ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করলেই হবে।

এদিকে রায় ঘোষণার সময় ডিএমডি মাইনুল হক, এজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন এবং এজিএম কামরুল হোসেন খান আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্য ৫ আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

Nagad

নথি থেকে জানা গেছে, ২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মুজিবুর রহমান রমনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলার পরে ২০১৪ সালের ২২ মে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান।