আজকের দিনের জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ খবর

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৮ অপরাহ্ণ, ২৯/০৭/২০২২

চালের দাম কমছে না যে কারণে
চালের দাম কমাতে খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নানা উদ্যোগ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের পরও দাম কমেনি।

বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকায় সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তবে ডলার–সংকটের কারণে আমদানিতে গতি নেই। বাড়তি দামে এখন বড় চালানে চাল আমদানি করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এতে খুচরা বা পাইকারি কোনো বাজারেই চালের দামে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও ও বিজয় সরণির কলমিলতা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে মোটা চাল গুটি স্বর্ণার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকায়। মাঝারি ধরনের চাল পাইজাম ও বিআর-২৮–এর কেজি মিলছে ৫২ থেকে ৫৮ টাকায়। সরু চালের মধ্যে মিনিকেট মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭২ টাকায়। আর এক কেজি নাজিরশাইল চালের দাম পড়ছে মানভেদে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা। দেড় মাস ধরে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চালের দাম প্রায় এ সীমার মধ্যেই রয়েছে।সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবেও চালের বাজারদরের প্রায় একই চিত্র পাওয়া গেছে। টিসিবির বৃহস্পতিবারের বাজারদরের তালিকা বলছে, রাজধানীর বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা। মাঝারি ধরনের চাল ৫০ থেকে ৫৬ টাকায় আর সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৭৫ টাকা কেজি। সূত্র: প্রথম আলো।

আমদানির পর দাম না কমে উল্টো বাড়ছে
দেশে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরই মধ্যে ভারত থেকে ১২ হাজার ২২৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। কিন্তু বাজারে চালের দাম না কমে উল্টো বাড়তে শুরু করেছে।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে মোটা চাল ৫০ কেজির বস্তায় ২৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। মিনিকেটের দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা বাজারে কেজিতে এক থেকে দুই টাকা বেড়েছে প্রায় সব ধরনের চালের দাম। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা চালের দাম বেশি বলে দেশের বাজারে দাম কমছে না। বরং বাজারে দাম বাড়ছে। যদিও খাদ্য মন্ত্রণালয় আশা করেছিল, চাল আমদানি শুরু হলেই দেশের প্রধান এই খাদ্যপণ্যের দাম কমতে শুরু করবে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

বাজার নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক পদক্ষেপ
ডলার কারসাজিতে জড়িত তিন চক্র
কারসাজি পেলেই দায়ী ব্যাংক ও মানি চেঞ্জার্সের লাইসেন্স বাতিল -বাংলাদেশ ব্যাংক * একাধিক গোষ্ঠী ডলার বাজার অস্থির করছে -চেয়ারম্যান, এবিবি

ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকারের একাধিক সংস্থা। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও মানি চেঞ্জার্স প্রতিষ্ঠানগুলোয় গত বুধবার থেকে বিশেষ তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্পতিবার থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও নিজ নিজ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় অনুসন্ধান করছে। খোলাবাজারে ডলারের দাম নিয়ে কারসাজি বন্ধে পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) তদন্ত করছে। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, ব্যাংকারদের সংগঠন এবিবিও এ বিষয়ে কাজ করেছে। বৃহস্পতিবার বাজার ডলারের প্রবাহ বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রেখেছেন।এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডিবি তথ্য পেয়েছে একটি চক্র বাজার থেকে অপ্রয়োজনে ডলার কিনে মজুত করছে। দাম বাড়লে সেগুলো বাজারে বিক্রি করে মুনাফা লুটে নেওয়ার জন্যই এসব করছে। এজন্য তিনটি চক্রকে শনাক্ত করা হয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি ব্যাংক। যারা মুনাফার জন্য অপেশাদারি আচরণ করেছে। একটি ব্যাংক নগদ ১০৪ টাকায় কিনে ১০৮ টাকায় ডলার বিক্রি করছে বলেও তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া বেশকিছু ব্যাংক নগদ ডলার বেচাকেনার ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ টাকা মুনাফা করছে। দ্বিতীয় গোষ্ঠীর মধ্যে আছে, অসাধু মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে অনেকেই এ কাণ্ডে জড়িত। তারাও ১০২ টাকা করে ডলার কিনে ১০৮ টাকায় বিক্রি করেছে। অনেকে অফিসিয়াল চ্যানেলে কম দামে ডলার কিনে খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি করেছে। বাজারে সংকটের আভাস পেয়ে আগে থেকেই ডলার কিনে মজুত করেছে। সূত্র: যুগান্তর

শিক্ষায়ও এগিয়ে নারী
♦ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ছেলেদের ছাড়িয়ে মেয়েরা ♦ উচ্চশিক্ষায় প্রতি বছরই বাড়ছে নারীর সংখ্যা ♦ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগে ৭০ শতাংশের বেশি ছাত্রী

Nagad

নারী শিক্ষায় অনেক দূর এগিয়েছে দেশ। প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে ছেলেদের তুলনায় শিক্ষার্থী ভর্তি, পাস সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে মেয়েরা। আর উচ্চশিক্ষার বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক বিভাগে ছেলেদের থেকে বেশি মেয়ে পড়াশোনা করছে। কোনো কোনো বিভাগে ৭০ শতাংশের বেশি ছাত্রী। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক নারী শিক্ষার সুযোগ, ছাত্রীদের বৃত্তির ব্যবস্থাসহ নানা কারণেই শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে মেয়েরা। এ ছাড়া অনগ্রসর আর দরিদ্র পরিবারে ছেলেদের কেউ কেউ মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ শেষ করার আগেই কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করায় শিক্ষা ক্ষেত্রে শতাংশের হিসাবে এগিয়ে রয়েছে তারা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন।

পল্লবীতে চালককে গলা কেটে হত্যার পর অটোরিকশা নিয়ে উধাও

রাজধানীর পল্লবী থেকে এক অটোরিকশাচালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে পল্লবীর কালশীর কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্পের সামনের সড়ক থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।পুলিশ জানায়, খুন হওয়া অটোরিকশাচালকের নাম আবদুল লতিফ হাওলাদার (৬০)। তিনি পরিবার নিয়ে মিরপুর-১২ নম্বরের ট–ব্লক এলাকার একটি বস্তিতে থাকতেন। তার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ওসি পারভেজ বলেন, আজ দিবাগত রাত তিনটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে লতিফকে দুর্বৃত্তরা গলা কেটে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি যে অটোরিকশাটি চালাতেন, সেটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সূত্র: সমকাল

আদমশুমারি: বাংলাদেশে জন্মহার কমা ভালো নাকি খারাপ?

বাংলাদেশে ২০২২ সালের জনশুমারির প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে দেশে জন্মহার কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ত্রিশ বছর যাবতই বাংলাদেশে জন্মহার ধারাবাহিকভাবে কমছে।১৯৯১ সালে বাংলাদেশের জন্মহার ছিল দুই দশমিক ১৭ শতাংশ, যেটি ২০০১ সালে নেমে আসে এক দশমিক ৫৮ শতাংশে।এরপর ২০১১ সালে আদমশুমারির প্রতিবেদনে দেখা যায় জন্ম হার আরো কমে এক দশমিক ৪৬ শতাংশ হয়েছে। সর্বশেষ ২০২২ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই হার এক দশমিক ২২ শতাংশ। জন্মহার কমলেও বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির এই হার বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর নাকি খারাপ খবর?এ বিষয়টি নির্ভর করে প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উপর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটি এখন ভালো খবর হিসেবেই দেখা যেতে পারে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

দরপতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস আরোপ
এক বছর পর ৬ হাজার পয়েন্টের নিচে পুঁজিবাজারের সূচক

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স গতকাল প্রায় এক বছর পর ৬ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে আসে। শঙ্কা দেখা দেয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এ অবস্থায় দরপতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস আরোপের ঘোষণা দেয় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
গত বছরের অক্টোবর থেকেই নিম্নমুখী রয়েছে পুঁজিবাজার। একের পর এক ইস্যুর কারণে ওই সময় থেকেই পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজার ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিএসইসির মতপার্থক্য এবং কভিডের নতুন ধরন ওমিক্রন গত বছরের শেষ প্রান্তিকে বিনিয়োগকারীদের চিন্তিত করে তুলেছিল। এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করে তোলে। বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট, মূল্যস্ফীতির চাপ, টাকার অবমূল্যায়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার তথ্য পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আবারো আশঙ্কা তৈরি করেছে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শুরুর পরই শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট হারাতে শুরু করে সূচক। মাঝে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। শেষ পর্যন্ত দিন শেষে ৫৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ডিএসইএক্স, আগের কার্যদিবস শেষে যা ছিল ৬ হাজার ৩৮ পয়েন্টে। এর আগে গত বছরের ৭ জুন ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ৯৭৬ পয়েন্টে। সূত্র: বণিক বার্তা

সারা বছর আম, বাড়ছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা
‘আমার বাগানে সারা বছর আম থাকে। আমগুলো সুস্বাদু। অনেকেই দেখতে আসেন এবং আগ্রহ দেখান।”

সারা বছর আমের স্বাদ দিতে এগিয়ে চলেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী হর্টিকালচার সেন্টারের কার্যক্রম; ইতোমধ্যেই যারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে গড়ে তুলেছে ‘একশটি’ প্রদর্শনী বাগান; যা থেকে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিক্রি করতে পারছেন খামারিরা। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সেন্টারটি প্রদর্শনী বাগান করে সম্ভাবনা দেখিয়ে দিচ্ছে। পরামর্শ ছাড়াও তারা দিচ্ছে চারাসহ নানা রকম সহযোগিতা।সেন্টারের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “সেন্টারের মাতৃগাছ থেকে ইতোমধ্যেই আমরা এক লাখ কলমের চারা তৈরি করেছি। এখান থেকে সরকার নির্ধারিত সুলভ মূল্যে দেশি-বিদেশি আমের চারা বিক্রি করা হচ্ছে। এগুলো গোপালগঞ্জ ও আশপাশের জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।” সূত্র: বিডি নিউজ

দাম বেড়েছে ডিম-কাঁচামরিচ-মুরগির, কমেছে তেলের

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দাম বেড়েছে ডিম, কাঁচা মরিচ ও মুরগির। ১৫ টাকা দাম কমে ভোজ্য তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়।এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। করলা ৮০ থেকে ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা। এইসব বাজারে বাড়তি দামে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা।১১ নম্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আল-আমিন বাংলানিউজকে বলেন, সবজির দাম তেমন বাড়েনি। বেড়েছে মরিচে দাম। কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। বাজারে রয়েছে মরিচের চাহিদা। সূত্র: বাংলানিউজ

কাঁচা মরিচের কড়া ঝাল, কমেছে ইলিশের দাম

ঈদের আগে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়া কাঁচা মরিচ এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৫০ টাকা। তবে কিছুটা কমেছে ইলিশের দাম, সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এদিকে, কাঁচা মরিচের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দামে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। সবজির পাশাপাশি অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগি ও ডিমের দাম। সেই সঙ্গে আলু, পেঁয়াজের দামেও পরিবর্তন আসেনি।শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ব্যবসায়ী কাঁচা মরিচের পোয়া ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। তবে এক কেজি বা আধা কেজি নিলে দাম কিছুটা কম রাখা হচ্ছে।কাঁচা মরিচের দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. আতাউর বলেন, বৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের ক্ষেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে দাম কমছে না। কাঁচা মরিচের দাম আরও কয়েকদিন এমন চড়া থাকবে। সূত্র: জাগো নিউজ