আজকের দিনের জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ খবর

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ, ৩০/০৭/২০২২

রেলক্রসিং নিরাপদ করতে মনোযোগ নেই, একের পর এক দুর্ঘটনা

রেলক্রসিংগুলো যেন অবহেলার অপর নাম। সারা দেশে ৮২ শতাংশ রেলক্রসিং অরক্ষিত। অর্থাৎ ট্রেন চলাচলের সময় যানবাহন আটকানোর জন্য কোনো পাহারাদার কিংবা প্রতিবন্ধক কিছুই নেই। বাকি ১৮ শতাংশ ক্রসিংয়ে পাহারাদার ও প্রতিবন্ধক—দুটিই আছে। কিন্তু পাহারাদারের অবহেলায় কিংবা চালকের অসতর্কতায় সেগুলোতেও দুর্ঘটনা ঘটছে। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, রেলপথে দুর্ঘটনায় যত প্রাণহানি হয়, এর ৮৫ শতাংশই মারা যান রেলক্রসিংয়ে। অবশ্য রেললাইনে কাটা পড়ে মৃত্যুর হিসাব রেল কর্তৃপক্ষ রাখে না। মুখোমুখি সংঘর্ষ, লাইনচ্যুতি, এক ট্রেনকে অন্য ট্রেনের ধাক্কা, রেলক্রসিংয়ে গাড়িকে ট্রেনের চাপা—এসবকে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।সারা বিশ্বেই রেলকে নিরাপদ বাহন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু রেলক্রসিংয়ের কারণে রেলপথ পুরোপুরি নিরাপদ হতে পারছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেন এলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘণ্টা বাজার ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছেন তাঁরা। তবে পাহারাদার যেখানে আছে, সেখানে দুর্ঘটনা এড়াতে সবার সচেতনতা দরকার। তিনি বলেন, পাহারাদারের ভুলে দুর্ঘটনা হলে অবশ্যই শাস্তি হবে। তবে অনেক চালক বেপরোয়া মনোভাব দেখিয়ে পার হতে গিয়েও দুর্ঘটনায় পড়ছেন। সূত্র: প্রথম আলো

দুর্নীতি এখনো বিনিয়োগে বাধা

কিছু উন্নতি সত্ত্বেও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখনো বাধা হয়ে আছে দুর্নীতি, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, সীমিত অর্থায়নের উপকরণ, আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব ও শ্রম আইনের দুর্বল প্রয়োগ। বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত ২০২২ সালের বিনিয়োগ পরিবেশ বিষয়ক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিষয়ক দপ্তর প্রকাশিত অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি হয়। সেই সঙ্গে আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা প্রায়ই বাংলাদেশে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহ করছে।ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বা বিশ্বের অন্য ১৬০টি দেশ ও অর্থনীতিতে ব্যবসা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানিগুলোকে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তার জন্য তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২২ সালের বিনিয়োগ পরিবেশবিষয়ক বিবৃতি। সূত্র: কালের কণ্ঠ

মীরসরাইয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১
আনন্দভ্রমণ নিমিষেই অন্তিমযাত্রা
আরও ছয়জন আহত, পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক * গেটম্যান ছিলেন না * দুটি তদন্ত কমিটি

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে শুক্রবার খৈয়াছড়া ঝরনা লেভেলক্রসিংয়ে উঠে পড়া পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন, যাদের পাঁচজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহতদের ১০ জনই হাটহাজারীর জুগিরহাট আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের ছাত্র-শিক্ষক। বাড়ি হাটহাজারীর আমানবাজার খন্দকিয়া গ্রামে। তারা খৈয়াছড়া ঝরনা দেখে ফিরছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ট্রেনটি দুপুর দেড়টার দিকে ওই লেভেলক্রসিং পার হওয়ার মুখে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসটি লাইনে উঠে পড়ে।ট্রেনটি মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দিলে তা ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে যায়। ওই অবস্থায় মাইক্রোবাসটিকে প্রায় পৌনে এক কিলোমিটার পথ ছেঁচড়ে নিয়ে বারতাকিয়া স্টেশনের অদূরে থামে ট্রেনটি।এরমধ্যেই মাইক্রোবাসের চালকসহ ১১ জন মারা যান। স্থানীয়রা ছুটে এসে হতাহতদের উদ্ধার শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, রেলপুলিশ ও থানা পুলিশের সদস্যরা এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেন। আহতদের নেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সূত্র: যুগান্তর

Nagad

উন্নয়নে এত প্রকল্প, তবুও উপেক্ষিত লেভেলক্রসিং

সড়কপথে দুর্ঘটনা নিয়ে বেশ আলোচনা হলেও রেলপথের অঘটন নিয়ে খুব কমই কথা হয়। অথচ ট্রেন দুর্ঘটনাও নিয়মিতভাবেই ঘটছে। এসব দুর্ঘটনার ৮০ থেকে ৮৫ ভাগই ঘটছে লেভেলক্রসিংয়ে। তবে এ অবস্থার পরিবর্তনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। রেলের উন্নয়নে ব্যয়বহুল প্রকল্প নেওয়া হলেও ক্রসিংগুলো উপেক্ষিতই থেকে যায়। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, মোটা দাগে তিন কারণে রেলের লেভেলক্রসিংয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। অবৈধ, অর্থাৎ রেল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বা সমন্বয় না করে যেসব রাস্তা বানানো হয়ছে সেসয লেভেলক্রসিংগুলোর বেশিরভাগই অরক্ষিত। গেটম্যান না থাকায় অনেক বৈধ লেভেলক্রসিংও সুরক্ষিত নয়। আবার রেলের লেভেলক্রসিং পারাপারে অনেক সময় সচেতনতার পরিচয় দেন না চালক-পথচারীরা। এ ছাড়া রেলক্রসিংয়ের গেটম্যানদের অবহেলা তো রয়েছেই। ফলে থামছে না দুর্ঘটনা, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া লেভেলক্রসিংয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটল। সূত্র: সমকাল

অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের পর আগে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে একটি ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হতো। এরপর শুরু করা হতো শিক্ষার্থী ভর্তিসহ অন্য সব শিক্ষা কার্যক্রম। যদিও কয়েক বছর ধরে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অনুমোদনপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, অনুমোদন পাওয়ার পর কোনো ধরনের অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে দেয়া হচ্ছে। এমনকি কোথাও কোথাও শিক্ষক নিয়োগের আগেই চলছে শিক্ষার্থী ভর্তি। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমও চলছে অগোছালোভাবে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অবকাঠামোয় ক্লাস শুরুর আগেই কয়েকটি ব্যাচ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বের হয়ে যাওয়ার নজিরও দেখা যাচ্ছে। এমন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০১ সালে আইন পাস হলেও বিশ্ববিদ্যালয়টির উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালে। রাঙ্গামাটি শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের অবকাঠামো ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় অনেকটা অগোছালোভাবেই। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজেদের ক্যাম্পাসে কার্যক্রম স্থানান্তর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সে হিসেবে ক্যাম্পাসে যাওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়টির কয়েকটি ব্যাচ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বের হয়ে গেছে।যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়টিকে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষার প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখছেন উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণকারীরাও। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বণিক বার্তাকে বলেন, ন্যূনতম পরিবেশ নিশ্চিত না করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। যদিও নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে এটা অনুসৃত হচ্ছে না। এটা গুণগত উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবন্ধক। তাই আমি মনে করি, এ বিষয়ে ভাববার সুযোগ রয়েছে। সূত্র: বণিক বার্তা।

জন্মনিয়ন্ত্রণ: শুধু নারীর উপরেই কেন জন্মনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহারের দায়?

বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সকল দেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি ব্যবহার করেন মূলত নারীরা। বাংলাদেশে সরকারিভাবে পরিবার পরিকল্পনার যেসব পদ্ধতি সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হয় তার মধ্যে দুটি বাদে বাকি সবগুলো নারীদের জন্য। যার প্রায় সবগুলোরই কোন না কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে, যা নারীকেই সহ্য করতে হয়।বিশ্বের ঔষধ কোম্পানিগুলোও জন্ম নিয়ন্ত্রণের যেসব পদ্ধতিতে বিনিয়োগ ও গবেষণা চালায়, তাও মূলত নারীদের জন্য। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের বোঝা শুধু নারীর উপরেই রয়ে গেছে।-পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার বোঝা-ঢাকার বাসিন্দা সিরাজুম মুনিরা বছর কয়েক হল বিয়ে করেছেন। বিয়ের পর একটি বাচ্চাও হয়েছে। এরপর চাকুরীজীবী স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আপাতত একটু বিরতি দেবেন।সিরাজুম মুনিরা বলছেন, চিকিৎসকের কাছে গেলে তাকে তিন মাস পরপর নিতে হয় এমন একটি ইনজেকশনের পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু সেটি যখন নেয়া শুরু করেন তারপর থেকে নানা রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সহ্য করতে হচ্ছে তাকে। সূত্র: বিবিসি বাংলা ।

লোকসানেই সর্বনাশ বিপিসির
প্রতিদিন ১১০ কোটি, চার মাসে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

দেশে জ্বালানি তেল আমদানির একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আবারও ভয়াবহ লোকসানে পড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং কভিড সংক্রমণ কমে আসায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। এতে তেলের দাম সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে। আর এর প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে বিপিসির ওপর। বিপিসি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিদিন ১১০ কোটি টাকার বেশি লোকসান দিতে হচ্ছে। আর ফেব্রুয়ারি-মে পর্যন্ত চার মাসে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। বিপিসি কর্তৃপক্ষ জানান, গত পাঁচ মাসে প্রতিষ্ঠানটিকে তেল আমদানিতে অতিরিক্ত ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। শিগগিরই বিপিসিকে সরকারের কাছে ভর্তুকি চাইতে হতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছেন। আর এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং লোকসান ঠেকাতে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করার কথাও ভাবছে সরকারের জ্বালানি বিভাগ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন।

বাণিজ্যবাধা দূর করতে উজবেকিস্তানের সঙ্গে ওয়ার্কিং গ্রুপ

চলতি বছরের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে বাধাগুলো দূর করার জন্য উজবেকিস্তানের একটি জয়েন্ট ওয়াকিং গ্রুপ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে চলমান সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে উজবেকিস্তানে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।শুক্রবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যে ‘থার্ড ইন্টারগভার্মেন্টাল কমিশন মিটিং অন ট্রেড অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড উজবেকিস্তান’ বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে উজবেকিস্তান বরাবরই বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছে, আগামীতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ডাবল টেক্সেশন পদ্ধতি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। এ বিষয়ে উজবেকিস্তান সরকার পদক্ষে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। আশা করা যায়, এ সমস্যারও সমাধান হবে। উজবেকিস্তান থেকে সার আমদানি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, উজবেকিস্তান বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। সূত্র: বাংলানিউজ

শিশুদের শরীর-মনে প্রভাব ফেলছে বায়ুদূষণ, বাড়ছে রোগবালাই

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বায়ুদূষণ বাড়ছে বাংলাদেশে। বিশেষ করে ঢাকা শহরে এই দূষণের মাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। নীরব ঘাতক বায়ুদূষণ কেড়ে নিচ্ছে লাখো প্রাণ, অসুস্থ হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণ একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ফলে কমছে দেশের মানুষের গড় আয়ু। তবে বায়ুদূষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে শিশুদের ওপর। অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। পরিবেশবিদরা বলছেন, ঢাকাসহ সারাদেশকে দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব সবার। শীতকাল অপেক্ষাকৃত শুষ্ক ঋতু হওয়ায় এই সময় ধুলাবালির পরিমাণও বেড়ে যায়। এর সঙ্গে ইটভাটা ও সিমেন্ট কারখানার ধুলার মিশ্রণ ঘটলে বায়ুদূষণ বাড়ে। শীতে আর্দ্রতা কম থাকায় বাতাসে অতি ক্ষুদ্র বস্তুকণার উপস্থিতিও বেড়ে যায়। এছাড়া বায়ুদূষণের ফলে চিকিৎসা ব্যয়ও বাড়ছে। ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রকৃতি। সূত্র: জাগো নিউজ

ইসির সংলাপে ২৬ দলের ৩ শতাধিক প্রস্তাব
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ এখনও বাকি।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে শেষ হতে যাওয়া সংলাপে এপর্যন্ত ২৬টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে তিনশরও বেশি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।নিবন্ধিত ৩৯টি দলের মধ্যে সবশেষ আগামী রোববার ইসির সঙ্গে বসবে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। এছাড়া দুটি দল নির্ধারিত সময়ে সংলাপ করতে না পারায় নতুন করে সূচি চেয়েছে।অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইসির সংলাপের আহ্বানে বিএনপিসহ ৯টি দল সাড়া দেয়নি।অংশগ্রহণমূলক ভোটের প্রত্যাশা জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ইতোমধ্যে বলেছেন, দলগুলোর দেওয়া প্রস্তাব বিবেচনার জন্য পর্যালোচনা করবেন। সেই সঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের যাবতীয় পদক্ষেপ নেবেন এবং আইন-বিধির প্রয়োগ নিশ্চিত করবেন। সূত্র: বিডি নিউজ