ফের করোনার হানা, বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ২:০৫ অপরাহ্ণ, ৩০/০৭/২০২২

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কর্মরত চীনা ও বাংলাদেশি ৫২ জন শ্রমিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে পরীক্ষামূলক উত্তোলনের তিন দিনের মাথায় আবারও কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। খনিতে ৩০০ জন চীনা ও ৪০০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থান করছিল। এদের মধ্যে ২৬ জুলাই ১৪৩ জন শ্রমিকের রেনডোম পরীক্ষা করা হয়। ১৬ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। পরে ২৮ জুলাই ২৯২ জন চীনা ও বাংলাদেশি ১৩ শ্রমিকের করোনার নমুনা নেওয়া হয়। এদের মধ্যে ৩৪ জন চীনা ও দুজন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়।

কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, আজ শনিবার সকাল থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে চীনা ও দেশি শ্রমিক রয়েছেন।

এর আগে, গত ২৭ জুলাই সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যেই এই খনি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল, যাতে প্রতিদিন ২৭০০-৩০০০ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন হবে বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। খনিতে ৩০০ জন চীনা ও ৪০০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থিত করছিলেন। এর মধ্যে ১৪৩ জন শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ২৮ জুলাই ৩০৫ জন চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৪ জন চীনা ও দুই জন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

গত ৩০ এপ্রিল উত্তোলনকৃত ১৩১০ নম্বর ফেইজ থেকে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় এই খনিতে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। পরের ফেইজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পরিত্যক্ত ফেইজের ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও নতুন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বসিয়ে ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

Nagad

ওই সময়ে বলা হয়েছিল, নতুন ফেইজ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করে কয়লা উত্তোলনে সময় লাগবে প্রায় আড়াই মাস। পরে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে কয়লা উত্তোলনের সময়ও নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু চলমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দ্রুত কয়লা উত্তোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অবশেষে গত ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেইজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।