আজকের দিনের জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ খবর

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ৩১/০৭/২০২২

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন
বাংলাদেশে বিনিয়োগে বড় বাধা দুর্নীতি

বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা দুর্নীতি। ঘুষ, আত্মসাৎসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার নানা আইন প্রণয়ন করেছে। কিন্তু আইনের বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে। সমাজের প্রায় সব স্তরেই দুর্নীতি আছে বলে ব্যাপকভাবে অনুমান করা হয়, যা বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত ও অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে এ বছরের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত মার্কিন বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে নিয়মিত এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার অন্যান্য কারণ হলো শ্রম আইনের শিথিল প্রয়োগ, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো ও সীমিত অর্থায়নের সুযোগ। তবে কিছু ক্ষেত্রে এসব সীমাবদ্ধতার উন্নতি হচ্ছে। এর মধ্যে আছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার পদক্ষেপ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যবসায় পরিবেশের উন্নতিতে সরকারের প্রচেষ্টা দেখা গেছে, কিন্তু বাস্তবায়নে ঘাটতি আছে। সূত্র: প্রথম আলো

বেশির ভাগ প্রস্তাব ইসির এখতিয়ারের বাইরে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ আজ রবিবার শেষ হওয়ার কথা। আজ শেষ দিনে অংশ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। ছাড়া দুটি দল এর আগে নির্ধারিত সময়ে সংলাপে অংশ না নিয়ে পরে সময় চেয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন দল দুটিকে এখনো সময় দেয়নি। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, দল দুটিকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের দিকে সময় দেওয়া হতে পারে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এ বিষয়ে গতকাল শনিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ওই দুটি দলকে সময় দেওয়ার বিষয়ে কমিশন এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সূত্র: কালের কণ্ঠ

কপাল পুড়বে বিতর্কিত মন্ত্রী-এমপিদের
♦ আমলনামা শেখ হাসিনার টেবিলে ♦ জনবান্ধব ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং ভোটের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বিএনপি। এটি মাথায় রেখে সারা দেশে ৩০০ আসনে জরিপ পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন পদ্ধতিতে এই জরিপ করছেন। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এবার ‘জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের’ প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছেন তিনি। ইতোমধ্যে বিতর্কিত, জনবিচ্ছিন্ন মন্ত্রী-এমপিদের আমলনামা শেখ হাসিনার টেবিলে। যাদের কারণে দলের ও সরকারের ভারমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে তারা ‘শাস্তি স্বরূপ’ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকিট পাবেন না বলে দলীয় ও গণভবন সূত্র জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কোনো জনবিচ্ছিন্ন, দলের সঙ্গে সম্পর্কহীন, বিতর্কিত, এলাকায় বদনাম আছে এমন কাউকে অতীতেও দল মনোনয়ন দেয়নি, আগামীতেও দেওয়া হবে না।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন।

Nagad

সরকারি গাড়িতে আগের মতোই পুড়ছে তেল

নানামুখী সংকটে তামাম বিশ্ব। এই বৃত্ত থেকে বের হতে চলছে যারপরনাই চেষ্টা। বৈশ্বিক এই সংকট ঠেকাতে সরকারের তরফ থেকেও নেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ উদ্যোগ; দেওয়া হয়েছে কিছু নির্দেশনা। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের দিকে সরকারের নজর একটু বেশি। এ প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হয়েছে ২০ শতাংশ জ্বালানি কমানোর নির্দেশনা। তবে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে চলছে ঢিলেমি। জ্বালানির পরিমাণ নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি এখনও। ফলে সরকারের সাশ্রয়ের প্রয়াস ধাক্কা খেতে পারে। সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাধিকার পাওয়া কর্মকর্তাদের জ্বালানি সুবিধা এখনও কমেনি। সুদমুক্ত ঋণে গাড়ি নেওয়ার পরও প্রকল্প এবং অধিদপ্তরের গাড়ি ব্যবহার করছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা। এসব গাড়ির বেশিরভাগ জ্বালানি খরচ হচ্ছে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বাজেট থেকে। মন্ত্রী, সচিব ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি খরচ নির্ধারণ করা থাকলেও তা এখনও সংশোধন করা হয়নি। ফলে জ্বালানি খরচ নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে কর্মকর্তারা। তবে জ্বালানি সাশ্রয়ে শুধু যানবাহন অধিদপ্তরের কর্মচারীদের যাতায়াতের গাড়ি কমানোসহ কিছু সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। সূত্র: সমকাল

ঋণ ৮১ হাজার কোটি টাকা

বিদেশ থেকে বিলাসী পণ্য আমদানিতে ৮৫০ কোটি ডলারের ঋণ নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার কোটি টাকা। আমদানিকারক বা ক্রেতার সুবিধা মতো বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানির বিপরীতে ব্যাংক বা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে এসব ঋণ। চড়া সুদ ও কঠিন শর্তে বেসরকারি খাতে নেওয়া এ ঋণের সবই স্বল্পমেয়াদি। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে ঋণের অঙ্ক বেড়ে যাচ্ছে। এগুলো স্বল্পমেয়াদি ঋণ হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে অনেক ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে ঋণের মেয়াদ বাড়াতে হচ্ছে, যা এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২০ সালে বায়ার্স ক্রেডিট ছিল ৪৩৫ কোটি ডলার। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৮৫০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য দেড় বছরে ঋণ বেড়েছে ৪১৫ কোটি ডলার বা ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ধরনের ঋণের মেয়াদ থাকে সাধারণত ছয় মাস। এ সময়ের জন্য কমপক্ষে ৬ শতাংশ হারে সুদ দিতে হয়। এর সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস চার্জ। সব মিলে সুদের হার দাঁড়ায় ৮ শতাংশের বেশি। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভরত, সংযুক্ত আর আমিরাত, কানাডা-এসব দেশ থেকে ওই ঋণ দেওয়া হয়। এসব দেশে মূল্যস্ফীতির হার কম। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রায় এ সুদ দিতে হয় বলে কার্যকর সুদ অনেক বেশি পড়ে, যা বাংলাদেশের ১৪/১৬ শতাংশ সুদের চেয়ে বেশি। এছাড়া নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন ধরনের চার্জ আরোপ করা হয়। এগুলো হচ্ছে-আমদানিকারকের ব্যাংক, রপ্তানিকারকের ব্যাংক ও রপ্তানিকারকের সঙ্গে আমদানিকারকের চুক্তির শর্ত। এতে ঋণের খরচ আরও বেড়ে যায়। মুদ্রার বিনিময় হার অস্থিতিশীল হলে ঋণের দায় বৃদ্ধি পায়। যেমনটি হয়েছে বর্তমানে। সূত্র: যুগান্তর

মানব পাচারে ফেসবুক, টিকটক, ইমোর ব্যবহার বাড়ছে, বাংলাদেশের চিত্র কী

পরিচিতদের মাধ্যমে বা সরাসরি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে, ফুঁসলিয়ে বা লোভ দেখিয়ে একসময় মানব পাচার করা হলেও এখন সেখানে বড় উপাদান হয়ে উঠেছে প্রযুক্তি। মানব পাচারের শিকার ধরতে, তাদের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ে বা পাচারকারীদের নিজেদের মধ্যেও যোগাযোগে প্রযুক্তি বড় উপকরণ হয়ে উঠেছে। বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে মানব পাচার বিরোধী দিবসে জাতিসংঘের প্রতিপাদ্যে। ‘প্রযুক্তির ব্যবহার ও অপব্যবহার’ প্রতিপাদ্যে বলা হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে মানব পাচারকারীরা শিকার চিহ্নিত করতে, দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ফাঁদে ফেলতে বা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর কতো মানুষ পাচারের শিকার হন, তার সঠিক কোন তথ্য বা পরিসংখ্যান নেই।তবে ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে প্রবেশ করেছে ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ। অভিবাসন সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ৫,০০০ মানুষ বাংলাদেশ থেকে এভাবে উন্নত দেশগুলোয় যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ ও অভিবাসন কর্মীরা বলছেন, শিকার ফাঁদে ফেলতে এখন নানাভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

প্রণোদনা প্যাকেজ সাময়িক স্বস্তি দিলেও চাপে ফেলেছে সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্যকে

কভিডের অভিঘাতে স্থবিরতা নেমে এসেছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে কয়েক দফায় ২ লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। সাময়িক স্বস্তি নিয়ে এলেও প্রণোদনা হিসেবে ঘোষিত এসব প্যাকেজ অর্থনীতিতে তারল্য সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পাশাপাশি চাঙ্গা হয়েছে পুঁজিবাজার। অন্যদিকে আমদানি বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে বেড়েছে চলতি হিসাবে ঘাটতিও। ডলারের চাহিদা বাড়ার প্রভাবে অবমূল্যায়ন হয়েছে টাকার। সব মিলিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্যকে চাপে ফেলার ক্ষেত্রে প্রণোদনা প্যাকেজেরও বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্যমতে, প্রণোদনা প্যাকেজের সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন বড় ব্যবসায়ীরা। টাকার অংকে বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধার পরিমাণও ছিল বেশি। ব্যাংকগুলোর কাছ থেকেও তারা সুবিধা নিয়েছেন বেশি। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা প্রণোদনার অর্থ কাজে লাগিয়ে পণ্য উৎপাদন করে তা রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছেন। কিন্তু অন্য খাতের ব্যবসায়ীরা কাঁচামাল আমদানির বিপরীতে ডলার ব্যয় করেছেন, যা দেশের চলতি মূলধন হিসাবের ওপর চাপ তৈরি করেছে। অন্যদিকে ছোট ব্যবসায়ীরা তাদের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেননি। আবার ব্যাংকগুলোও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়ায় খুব একটা আগ্রহী ছিল না। বড় ব্যবসায়ীরা যত সহজে প্রণোদনার অর্থ পেয়েছেন, ক্ষুদ্রদের জন্য তা ছিল ততটাই কঠিন। এতে যাদের কাছে আগে থেকেই সম্পদ কেন্দ্রীভূত ছিল, তারাই সুবিধা পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে যাদের সম্পদ কম, তারা সুবিধাও পেয়েছেন কম। ক্ষুদ্ররা প্রণোদনার যথাযথ সুবিধা পেলে তা কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর হতো। সূত্র: বণিক বার্তা।

চামড়া শিল্পনগরে দূষণ: সংসদীয় কমিটির ‘পদক্ষেপ’ কাজে আসছে?
“আমরা এখনও কঠোর অবস্থানে। তবে মন্ত্রণালয়ের পজিশন কিছুটা বুঝি, আরেকটা মন্ত্রণালয়কে বলতে হয়ত তারা বিব্রত,” বলছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী।

অনেক চেষ্টায় ঢাকার হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরানো হয় যে কারণে, সেই দূষণই বন্ধ হয়নি সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরীতে; যা নিয়ে কঠোর হতে একাধিক পদক্ষেপের পরামর্শ এসেছে সংসদীয় কমিটির কাছ থেকে।এ বিষয়ে সোচ্চার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বারবার ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছে। তবে প্রায় এক বছরেও সেগুলোর কোনটারই বাস্তবায়ন হয়নি। বারবার সুপারিশের পরও কাজ কেন হচ্ছে না- জানতে চাইলে এই কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “শিল্প মন্ত্রণালয় আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ানো ও ক্রোমিয়াম কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।“আমরা বলেছি, ব্যর্থ হলে এর জন্য দায়ী ইউনিটগুলো চালু রাখতে দেব না। দরকার হলে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”- সূত্র: বিডি নিউজ

গাজীপুরে বাস চাপায় অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে নিহত ৫

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের মাকিষবাথান এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে এর ৫ যাত্রীই নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩০ জুলাই) রাত সোয়া ১১টার দিকে মাকিষবাথান এলাকার বটতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, গেল রাত ১১টার দিকে কালিয়াকৈর থেকে ছেড়ে আসা ইতিহাস পরিবহনের একটি বাস কালিয়াকৈর-চন্দ্রা রুটের মাকিষবাথান এলাকার বটতলায় পৌঁছলে বিপরীত দিক আসা যাত্রীবাহী ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে বিকট শব্দে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালকসহ আরো দুই যাত্রী মারা যান। আহত হন অপর ৩ জন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে সেখানে একজন এবং অপর দুই যাত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সূত্র: একুশে টিভি

 

গাজীপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৫

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অটোরিকশা ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩০ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার মাকিষবাথান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার শেখবাড়ী গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে অটোরিকশাচালক নজরুল ইসলাম, বরগুনার সদর থানার আংগারপাড়া গ্রামের মমিন উদ্দিন সিকদারের ছেলে মেহেদী হাসান বাবলু, গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার হিজলতলী গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে আতিকুল ইসলাম, একই উপজেলার লতিফপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম রুবেল ও যশোরের মাগুরা থানার দহর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে শাহিন উদ্দিন।পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে কালিয়াকৈরে থেকে ছেড়ে আসা ইতিহাস পরিবহনের একটি বাস মাকিষবাথান এলাকার বটতলায় পৌঁছালে বিপরীত দিক আসা যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বিকট শব্দে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। সূত্র: জাগো নিউজ