আবরার হত্যা মামলায় পলাতক ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতার পরোয়ানা

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১১ পূর্বাহ্ণ, ১৮/১১/২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় পলাতক ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ারা জারি করা হলো তারা হলেন-মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ। এদের মধ্যে প্রথম তিনজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত।

আদালত গ্রেফতার-সংক্রান্ত বিষয প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে ১৩ নভেম্বর আবরার হত্যায় ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ২৫ জনের মধ্যে ১১ জন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। বাকি ১৪ জনের বিরুদ্ধে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে বুয়েটের ২৫ জন ছাত্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এজাহারভুক্ত ১৯ জন, এজাহারের বাইরে ৬ জন। ৬ জনের মধ্যে ১ জন পলাতক আছে। আবরারকে সরাসরি মারপিটে অংশ নেন ১১ জন। বাকিরা হত্যা পরিকল্পনামসহ নানাভাবে জড়িত ছিল।

Nagad

আবরার হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আট আসামি এরইমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন, নাজমুস সাদাত, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর ও মনিরুজ্জামান মনির। বাকিরা পুলিশের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম।
এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন জিসান, তানিম, মোরশেদ, মোশতুবা রাফি। তাদের বিরুদ্ধে আজ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো।

প্রসঙ্গত ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে ৫ অক্টোবর বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে ৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।