৫৭ মিনিটে বিধ্বস্ত আনিসিমোভা, উইম্বলডনের নতুন রানি সিওটেক

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১০ পূর্বাহ্, জুলই ১৩, ২০২৫

ইতিহাস গড়লেন পোল্যান্ডের টেনিস তারকা ইগা সিওটেক। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের সেন্টার কোর্টে উইম্বলডনের নারী এককের ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের আমান্ডা আনিসিমোভাকে ৬-০, ৬-০ গেমে হারিয়ে প্রথমবার এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি জিতেছেন তিনি। গ্র্যান্ড স্ল্যাম ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ ট্রফি হলেও উইম্বলডন জয় ছিল অধরা—অবশেষে সেটিও পূর্ণ হলো।

মাত্র ৫৭ মিনিটের একতরফা ম্যাচে ‘ডাবল ব্যাগেল’ উপহার দিয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন সিওটেক। এর আগে এমন জয় দেখা গিয়েছিল ১৯১১ সালে, যখন ডরোথি ল্যাম্বার্ট-চ্যাম্বার্স ডোরা বুথবিকে একই ব্যবধানে হারান। আর সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনে স্টেফি গ্রাফ ৬-০, ৬-০-তে জেতেন। সিওটেক সেই ঐতিহাসিক তালিকায় তৃতীয়।

এই জয়ে সিওটেকের গ্র্যান্ড স্ল্যামে জয়সংখ্যা দাঁড়াল ১০০-তে। সেরেনা উইলিয়ামসের পর তিনিই সবচেয়ে দ্রুত এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। বয়স মাত্র ২৪ বছর ৩০ দিন। পঞ্চম সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ছয়টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জেতার কীর্তিও এখন তার ঝুলিতে।

খেলা শেষে হাতে ‘ভেনাস রোজওয়াটার’ ট্রফি নিয়ে সিওটেক বলেন, ‘একদমই পরাবাস্তব মনে হচ্ছে। সত্যি বলতে এমন কিছু করার স্বপ্নও দেখিনি। আগেও গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছি, তবুও এটা (উইম্বলডন) আলাদা। আশা করি আমান্ডা ভবিষ্যতে আরও ফাইনাল খেলবে।’

ফাইনালে হারলেও দর্শকদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন আমান্ডা আনিসিমোভা। ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক সংকট পেরিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর কোর্টে ফিরে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছেছিলেন এই ২৩ বছর বয়সী মার্কিন তারকা। সেমিফাইনালে হারিয়েছিলেন অন্যতম ফেভারিট আরিয়ানা সাবালেঙ্কাকে।

হার মানলেও হতাশ হননি আমান্ডা। আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি জানি আজ বেশি কিছু করতে পারিনি। তবে আমি পরিশ্রম করে যাব। আশা করছি, একদিন আবার ফিরতে পারব এখানে।’

Nagad