সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে প্রথম বাংলা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বাংলায় রচিত সেমিকন্ডাক্টর বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। বইটির নাম ‘প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা’। লেখক মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান, যিনি বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের পথিকৃৎ এবং উল্কাসেমির সিইও ও প্রেসিডেন্ট।
‘স্টুডেন্ট-ওয়েজ’ থেকে প্রকাশিত বইটিতে সেমিকন্ডাক্টরের মৌলিক ধারণা, বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পে এর গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৌশল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এতে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা রয়েছে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এনায়েতুর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো যেমন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, বাংলাদেশও পারবে। আমাদের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাই সেই ভবিষ্যৎ গড়বে। তাই এই বইটি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্যও।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রুনাই হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রোজাইমি আব্দুল্লাহ, মাইক্রোসফটের বাংলাদেশ-ভুটান-নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুপ ফারুক, উল্কাসেমির চেয়ারম্যান ডা. আরিফা চৌধুরী রহমানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী ও উল্কাসেমির কর্মকর্তারা।
স্টুডেন্ট-ওয়েজ’ থেকে প্রকাশিত এই বইটি দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। এতে সমসাময়িক বিষয় থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টরের মৌলিক ধারণা, বৈশ্বিক শিল্পে এর গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এতে রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে অসংখ্য দিকনির্দেশনা।
উল্লেখ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ আধুনিক প্রযুক্তি সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর নির্ভরশীল। উল্কাসেমি ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচশ বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারের একটি দক্ষ দল গড়ে তুলেছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বাজারে রূপান্তরিত করা।

