সড়ক-মহাসড়কে হতাহত কমাতে কাজ করছে সরকার: সংসদে সেতুমন্ত্রী

সারাদিন ডেস্কসারাদিন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৪৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬

সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সোমবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

রবিউল আলম বলেন, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪-এর উপধারা (১) এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ১২৫-এর উপবিধি (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে গত ৭ মে ২০২৪ `মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিংয়ের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পিড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ।

এ ছাড়া ট্রাফিক ক্যালমিং ব্যবস্থা হিসেবে রাম্বল স্ট্রিপ, স্পিড কন্ট্রোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহাসড়কে আইটিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে গতিসীমা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Nagad

সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোড সেফটি অডিট ও ট্রাফিক মনিটরিং পরিচালনার মাধ্যমে ব্ল্যাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।