শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়, ব্যয় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই এ কাজ শেষ করতে চায় সরকার। নতুন সচিবালয়ের জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে তিনটি নকশা চূড়ান্ত করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নকশাগুলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। তবে প্রকল্পের আগে ওই এলাকার সড়কের প্রশস্ততা ও যানবাহন চলাচলের পরিমাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে জরিপ করতে হবে।
তিনি জানান, নতুন সচিবালয়ের জন্য ইতিমধ্যে তিনটি নকশা তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কানের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে নকশাগুলো করা হয়েছে। তবে সংসদ ভবনের মতো কোনো ফটক রাখা হবে না।
এর আগে ২০১৫ সালে শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে সরকার।
এরপর বিদ্যমান সচিবালয় এলাকায় একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিগত সরকার। পাশাপাশি সচিবালয়ের পশ্চিম পাশে পরিবহন পুল ও জিপিও এলাকায় নতুন সচিবালয় তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজ শেষ হলে পুরোনো সচিবালয়ে গুলিস্তান ও আশপাশের এলাকায় থাকা সরকারি দপ্তরগুলো স্থানান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

