Print

সারাদিন

ঘূর্ণিঝড় মোখা: সেন্টমার্টিনে বাতাসের ধাক্কা বেড়েছে, সাগরও উত্তাল

প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০২৩

কক্সবাজার সংবাদদাতা

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত অপরিবর্তিত রেখেছে আবহাওয়া অফিস। আজ সকাল থেকে আগের চেয়ে বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়া বাড়তে শুরু করেছে সেন্টমার্টিন দ্বীপে। এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

রোববার (১৪ মে) সকাল পৌনে ১১টায় সেন্টমার্টিনের পশ্চিম পাশের গ্রাম ও বাড়িঘরগুলোতে বাতাসের ধাক্কা লাগছে বলে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা জসিম মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, “রাত থেকে বৃষ্টি ছিলো, তবে বাতাসের গতি তখন কম থাকলেও রোববার সকাল থেকে বাতাসের বেগ বেড়েছে। দ্বীপের লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। আর এখানে বিভিন্ন বাহিনী জনসচেতনতায় কাজ করছে।”

সেন্টমার্টিন হাসপাতালে আশ্রয় নেওয়া আলী আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, “দ্বীপের মানুষের ভাগ্যে কী আছে, আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না। শুধু আমি নই, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা কেউ রাতে ঘুমাতে পারেননি। সবাই জেগে জেগে রাত পার করেছেন।”

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “আগের চেয়ে বাতাস একটু বেড়ে গেছে। ভোররাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হলেও এখন একটু বৃষ্টি কমেছে। তবে মাঝে মাঝে বাতাসের ধাক্কা রয়েছে। এছাড়া জোয়ারের পানিও বেড়েছে। সাগরও উত্তাল রয়েছে।”

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আবহাওয়াবিদ মো: আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “সেন্টমার্টিনে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র অগ্রভাগের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেখানে বর্তমানে বাতাসের গতিবেগ ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার। রোববার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দ্বীপবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।”

Nagad
Nagad

জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘূর্ণিঝড় মোখা তুলনামূলকভাবে সেন্টমার্টিনের আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশসহ সেন্টমার্টিনে ৩৭টি সরকারি স্থাপনা রয়েছে। তাই সেখানে সরকারি স্থাপনাগুলো সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।”

সারাদিন/১৪ মে/এমবি