Print

সারাদিন

‘বিশ্ব ফিলিস্তিনের ওপর বর্বরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার, কিন্তু বিএনপি ও জামায়াত চুপ’

প্রকাশিত: ৩:০৫ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০২৪

সারাদিন ডেস্ক

বিএনপি ও জামায়াত ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন- সারা বিশ্ব ফিলিস্তিনের ওপর বর্বরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার৷ কিন্তু এ নিয়ে একেবারেই চুপ বিএনপি ও জামায়াত৷

শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্বশান্তি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি স্বীকৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন- ‘শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সবসময় সোচ্চার। আমাদের দেশ সাহায্য পাঠিয়েছে। আরও সাহায্য পাঠাবে, যোগ করে মন্ত্রী বলেন, যারা ইসলামের জন্য মায়াকান্না করে, সেই বিএনপি ও জামায়াত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে একটি কথাও বলে না। তারা কীভাবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবে? যেখানে বিশ্বের সব মানুষ যে বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার, সেখানে বিএনপি কী করে ফিলিস্তিনির পক্ষে কথা না বলে থাকে?

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি সকালে এক কথা বলেন আর বিকেলে আরেক কথা বলেন। জামায়াত বলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু তারা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে একটি কথাও বলে। কারণ, তারা কাপুরুষ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে বাংলাদেশ তাতে সমর্থন দেবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে ফিলিস্তিনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনিকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উঠলে অনেক দেশ ভেটো দেয়।

Nagad
Nagad

তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কীভাবে ছাত্রদের পিটিয়েছে, তা কিন্তু গোপন থাকেনি। কোনো কিছুই গোপন থাকে না। নেতানিয়াহু এখন মানবাধিকারের শত্রু হিসেবে পরিণত হয়েছে। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কথাও শোনেন না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ফিলিস্তিনি শিশুরা ঢিল ছুড়লে ইসরাইলি বাহিনী অন্যদিকে নির্বিচারে গুলি করে। কিছু দেশ একদিকে ইসরাইলকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে অন্যদিকে আবার ফিলিস্তিনিদের খাবার দিয়ে সহযোগিতা করে। এমন নীতি আমার বোধগম্য নয়।

আলোচনা সভায় ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশ এক হয়ে কাজ করলে ফিলিস্তিনের যুদ্ধ থামানো সম্ভব। তাদের জমি ও দেশের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানাতে হবে। আমরা এক হলে বিশ্বের মনবতার পক্ষ নিয়ে তারা তাদের নিজের মাটিতে সুরক্ষিত থাকতে পারবে।