Print

সারাদিন

পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে সিঙ্গাপুরের সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহন, নভম্বর ১০, ২০২৪

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার এবং অভিবাসন ব্যয় কমাতে সিঙ্গাপুরের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ রবিবার (১০ নভেম্বর) ঢাকায় সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত ডেরেক লোর সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূস রাষ্ট্রদূতকে বলেন, “বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। এ বিষয়ে সিঙ্গাপুরের পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন।” রাষ্ট্রদূত লো এ বিষয়ে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ সময়, অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশ থেকে প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিয়োগ খরচ কমাতে সিঙ্গাপুরের সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা সিঙ্গাপুরের সঙ্গে একযোগে একটি মডেল কাঠামো তৈরি করে প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিয়োগ খরচ কমানোর চেষ্টা করছি, যাতে তারা তাদের পরিবারকে বেশি অর্থ পাঠাতে পারে।”

রাষ্ট্রদূত লো বাংলাদেশকে বৈদেশিক নিয়োগ ব্যবস্থা ডিজিটালাইজ করার পরামর্শ দেন, যাতে মানবপাচার ও শ্রমিক শোষণের আশঙ্কা কমানো যায়।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা, পররাষ্ট্রনীতি, শিপিং, শিক্ষা, এবং স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “স্বৈরাচারী সরকারের পতনের মাত্র তিন মাসের মাথায় বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং এখন ব্যবসার জন্য এটি উপযুক্ত সময়।”

Nagad
Nagad

সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ডিরেক্টর ফ্রান্সিস চং জানান, ২০২১ সালে সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রস্তাবিত হয়েছিল, এবং উভয় দেশ এখন এটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।

রাষ্ট্রদূত লো সিঙ্গাপুরের দক্ষতা ভাগাভাগি করার প্রস্তাব করেন, বিশেষ করে পানি শোধন এবং বর্জ্য শক্তি ব্যবস্থাপনায়।