প্রকাশিত: ১০:৫০ পূর্বাহ্, গাস্ট ৪, ২০২৫
সারাদিন ডেস্ক
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির বহিষ্কৃত সদস্য আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
রবিবার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। জবানবন্দি শেষে আদালত রিয়াদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন— ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব। গ্রেপ্তারের পর সংগঠন দুটো থেকে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই সকালে আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ ও কাজী গৌরব অপু গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে শাম্মী আহমেদের বাসায় যান। সেখানে তারা হুমকি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আওয়ামী লীগের দোসর বলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন এবং চাপ সৃষ্টি করেন। পরে শাম্মীর স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর বাধ্য হয়ে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন।
পরে ১৯ জুলাই এবং ২৬ জুলাই ফের টাকা দাবি করে আসামিরা বাসায় গিয়ে হুমকি দেন। শেষবার ২৬ জুলাই বিকেলে আসামিরা বাসার সামনে অবস্থান নিলে পুলিশ গিয়ে পাঁচজনকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় জানে আলম অপু নামে একজন পালিয়ে যান।
ঘটনার পর সিদ্দিক আবু জাফর গুলশান থানায় ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।