Print

সারাদিন

সিম সীমা ১০: অপ্রয়োজনীয় সিম এখনই বন্ধ করুন, নয়তো বিপদে

প্রকাশিত: ৩:৪৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৪, ২০২৫

সারাদিন ডেস্ক

একজন ব্যবহারকারীর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি সিম—নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি। এতদিন একজন গ্রাহক একাধিক অপারেটর মিলে ১৫টি পর্যন্ত সিম রাখতে পারতেন। তবে এবার সেই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে ১০-এ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, একজন গ্রাহক বাস্তবে এত সংখ্যক সিম ব্যবহার করেন না। অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা এবং অপারেটরদের অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালে এনআইডি দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম চালু হয়। এরপর ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ হয় ১৫টি। তবে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহকের নামে থাকা সিমগুলো হয় ব্যবহৃত নয়, নয়তো অন্যের হাতে চলে গেছে—যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। এখন থেকে কেউ ১০টির বেশি সিম রাখলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং সেগুলো যেকোনো সময় বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে নিজের নামে থাকা অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় সিম ডি-রেজিস্ট্রেশন করে ফেলতে হবে। না হলে পড়তে পারেন আইনগত জটিলতায়।

কীভাবে জানবেন, আপনার নামে কতটি সিম আছে?
এটি জানার জন্য: ডায়াল করুন: *16001#। ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়া হবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সব সিমের নাম্বার।

অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় সিম ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে
১. সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে কল করুন (যেমন: গ্রামীণফোন ১২১, রবি ১২৩, বাংলালিংক ১২১, টেলিটক ১২১)।
২. জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও অন্যান্য যাচাইয়ের পর আপনি চাইলে আপনার নামের সিমটি বন্ধ করে দিতে পারবেন।
৩. এছাড়াও সরাসরি অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে অনুরোধ করতে পারেন।

আপনার নামে যদি এমন কোনো সিম থেকে থাকে, যেটি আপনি ব্যবহার করছেন না বা জানেনই না—তা এখনই বন্ধ করে দিন। অন্যথায়, সেই সিম ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে দায় গিয়ে পড়বে আপনার ওপর। বিটিআরসি মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে যেমন গ্রাহকের নিরাপত্তা বাড়বে, তেমনি অপারেটরদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

Nagad
Nagad