প্রকাশিত: ২:৪৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অর্থ পাচার মামলায় ১০ বছরের সাজা পাওয়া আলোচিত ঠিকাদার ও যুবলীগের সাবেক নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম হাইকোর্টে আপিলের রায়ে খালাস পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মবিন ও বিচারপতি জাবিদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
২০২৩ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অর্থ পাচার মামলায় জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই মামলায় তার সাত দেহরক্ষীকে চার বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি মোট ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৪ টাকা জরিমানা করা হয়।
তবে হাইকোর্টে আপিলের শুনানি শেষে জি কে শামীমকে খালাস দেওয়া হলো।
মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেছিলেন, “অস্ত্রবাজ, টেন্ডারবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের কোনো আদর্শ থাকে না। তারা রাতারাতি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে, যা দেশের উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায়।”
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের কার্যালয় ও বাসায় র্যাব অভিযান চালিয়ে ৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৮১ লাখ নগদ টাকা, বিপুল বিদেশি মুদ্রা ও মদ জব্দ করে।
পরবর্তীতে র্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান গুলশান থানায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।
২০২০ সালের ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ তদন্ত শেষে ৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১০ নভেম্বর মামলার বিচার শুরু হয়।
২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের অপর মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।