Print

সারাদিন

তৌহিদ আফ্রিদি লিভার-কিডনির রোগে আক্রান্ত: দাবি আইনজীবীর

প্রকাশিত: ১১:০৮ অপরাহন, গাস্ট ২৫, ২০২৫

সারাদিন ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি লিভার ও কিডনির জটিল রোগে আক্রান্ত বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন।

সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে তিনি এ দাবি জানান। শুনানি শেষে আদালত মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান তাকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী অসুস্থতার কাগজপত্র জমা দিয়ে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেছিলেন।

আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, তৌহিদ আফ্রিদি লিভার ও কিডনির জটিল রোগে ভুগছেন। লিভারের এ সমস্যা থেকেই ক্যানসার হতে পারে। আমরা আদালতে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র উপস্থাপন করি। আদালত ধৈর্য সহকারে শুনেছেন, তবে শেষ পর্যন্ত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার অভিযোগ
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মাই টিভির পরিচালক তৌহিদ আফ্রিদি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষ নিয়ে বিভিন্ন লাইভ প্রচার ও বক্তব্যের মাধ্যমে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করেছেন। তার প্ররোচনায় স্থানীয় আওয়ামী নেতা, সন্ত্রাসী, রাজনৈতিক কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিবর্ষণে যাত্রাবাড়ীতে আসাদুল হক বাবু নিহত হন বলে তদন্তে উল্লেখ রয়েছে।

এই মামলার প্রকৃত ঘটনা ও অন্যান্য আসামিদের পরিচয় শনাক্তের লক্ষ্যে তৌহিদ আফ্রিদিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন বলে সিআইডি আদালতে জানায়।

Nagad
Nagad

গত ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনে যোগ দেন মো. আসাদুল হক বাবু। দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে নাসির উদ্দিন ২২ নম্বর আসামি এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

এ মামলায় গত ১৭ আগস্ট রাজধানীর গুলশান থেকে নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার ৫ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।