প্রকাশিত: ১০:৪৮ পূর্বাহ্, গাস্ট ২৮, ২০২৫
সারাদিন ডেস্ক
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে আবারও আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৪ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। ৬৯ আইনজীবীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়। এরও আগে, ৯ জানুয়ারি দ্রুত রিভিউ শুনানির জন্য আবেদন করে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।
২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম ঠিক করে রায় দেন আপিল বিভাগ, যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। রায়ে বলা হয়—
১. সাংবিধানিক পদাধিকারীদের সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিতে হবে।
২. জেলা জজদের অবস্থান সচিবদের সমমর্যাদায় উন্নীত হবে (২৪ থেকে ১৬ নম্বরে)।
৩. অতিরিক্ত জেলা জজদের অবস্থান হবে জেলা জজদের পরেই, অর্থাৎ ১৭ নম্বরে।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম কেবল রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে প্রযোজ্য হবে, নীতি নির্ধারণী কাজে এর ব্যবহার করা যাবে না।
প্রসঙ্গত, রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ১৯৮৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে তৈরি করে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়। ২০০০ সালে এটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত এ ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব আতাউর রহমান। ওই রিটের ওপর ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ওই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে বাতিল করে আট দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।