প্রকাশিত: ৯:৪৬ পূর্বাহ্, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫
সারাদিন ডেস্ক
রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো সাংবিধানিক সংস্কারের ভার পরবর্তী সংসদের ওপর দিতে চাইছে, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনের আগেই সংস্কার কার্যকর দেখতে চায়।
এমন পরিস্থিতিতে সমাধান খুঁজতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। কমিশন সূত্র জানায়, যেসব প্রস্তাব অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব, সেগুলো দ্রুত করা হবে। পাশাপাশি সাংবিধানিক সংস্কার রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও চলছে।
তবে আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকে এ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ বলেছেন। প্রবীণ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক মনে করেন, বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশে সাংবিধানিক সংস্কার সম্ভব নয়। তার ভাষায়, “যেটা অসাংবিধানিক, সেটা চিরকালই অসাংবিধানিক। অধ্যাদেশ দ্বারা সংবিধান সংশোধন করা যাবে না।”
অন্যদিকে কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, এটি “এক্সট্রা অর্ডিনারি কনস্টিটিউশনাল ডিসপেনসেশন” বা “রেভল্যুশনারি কনস্টিটিউশনালিজম” হিসেবে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে পরবর্তী সংসদ বা আদালতে চ্যালেঞ্জ এলে এর টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত খসড়া এখনও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠাতে পারেনি কমিশন। সূত্র জানায়, আদালতে চ্যালেঞ্জ ঠেকাতে বা গণভোটের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার প্রস্তাব সরকার বাদ দিতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর কমিশনের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জুলাই সনদ চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। সূত্র: দৈনিক আমাদের সময় ।