Print

সারাদিন

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় কুবি ছাত্রী ও তার মাকে হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৩:৫৫ অপরাহন, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

কুমিল্লা সংবাদদাতা:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক ছাত্রী ও তার মাকে ধর্ষণের চেষ্টা ঠেকাতে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মো. মোবারক হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিস্তারিত তথ্য জানা গেছে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকা থেকে মোবারককে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার মোবারক হোসেন জেলার দেবিদ্বার উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। ঝাড়ফুঁকের সুবাদে তিনি ভুক্তভোগীদের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।

এসপি নাজির আহমেদ জানান, রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুবি শিক্ষার্থীর বাসায় প্রবেশ করেন মোবারক। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগীর মা বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মাকে অন্য কক্ষে নিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। এরপর ছাত্রীকে তার রুমে গিয়ে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করলে প্রতিরোধের মুখে তাকে গলা টিপে হত্যা করেন।

হত্যার পর বাসা থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যান মোবারক।

ধর্ষণ হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পুলিশ সুপার বলেন, বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Nagad
Nagad

এর আগে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর সুজানগর এলাকার নেলী কটেজ ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ছাত্রী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।