Print

সারাদিন

ইসরায়েল ও হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত: ট্রাম্প

প্রকাশিত: ৯:২২ পূর্বাহ্, অক্টোবর ৯, ২০২৫

সারাদিন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে বড় অগ্রগতি এসেছে মধ্যপ্রাচ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও গাজা নিয়ন্ত্রিত সশস্ত্র সংগঠন হামাস সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি-ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে অচিরেই সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।’

মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে জানান, ‘আজ রাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে, যা গাজায় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি, ত্রাণ প্রবেশে বাধা দূর করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

ওয়াশিংটনে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার সূচনা
গত ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি ইসরায়েল, হামাস, মিসর ও কাতারের কাছে পাঠানো হয়। তখন হামাস ছাড়া সবাই প্রাথমিক সম্মতি জানায়।

৩ অক্টোবর হামাসের সম্মতির পর ৪ অক্টোবর ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বিমান হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন।

শারম আল শেখে ঐতিহাসিক বৈঠক
৬ অক্টোবর মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে বসে ইসরায়েল, হামাস, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক। দুই দিনের আলোচনার পর অবশেষে ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করে উভয় পক্ষ।

Nagad
Nagad

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আলোচনা খুবই ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। আশা করছি সপ্তাহের শেষের দিকেই আমি মধ্যপ্রাচ্যে সফরে যেতে পারব, সম্ভবত রোববারই।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে এটি দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসন ও মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।