প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহন, নভম্বর ২৩, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। রবিবার (২৩ নভেম্বর) খাদ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান–২০২৫’ এ তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে আমন ২০২৪–২৫ ও বোরো ২০২৫ মৌসুমে সংগ্রহ অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, দক্ষতা, সততা ও ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের ৩১ কর্মকর্তা–কর্মচারীকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়। এর মধ্যে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ১ জন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ৫ জন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ১০ জন এবং ব্যবস্থাপক/চলাচল ও সংরক্ষণ কর্মকর্তা/ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১৫ জন রয়েছেন।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়লেও খাদ্য অধিদপ্তর ব্যতিক্রম ছিল। কর্মকর্তা–কর্মচারীরা বিপদের সময়ও মাঠে থেকে খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রেখেছেন।’ তিনি আরও বলেন, আমন মৌসুমে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা মিনিমাম ধরে দেওয়া হলেও অর্জন করতে হবে ম্যাক্সিমাম। নির্ধারিত ধান–চালের মূল্য যৌক্তিক হওয়ায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন-কোনও কৃষক ধান নিয়ে এলে তাকে ফেরত দেওয়া যাবে না, ধানের আর্দ্রতার মান বজায় রাখতে হবে, কোনও গুদামে পচা চাল পাওয়া গেলে তা বরদাস্ত করা হবে না।
এছাড়া আগামী বছরের মধ্য ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তখনকার আগেই ধান–চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের তাগিদ দেন তিনি। অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ বাড়লে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে যাবে বলেও মন্তব্য করেন খাদ্য উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি খাদ্য সচিব মো. মাসুদুল হাসান বলেন, গত বোরো মৌসুমে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ ধান–চাল সংগ্রহ হয়েছে, যা কর্মকর্তা–কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফল। চলমান আমন মৌসুমেও একই আন্তরিকতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান এবং চলমান সংগ্রহ অভিযান সফল করতে মাঠের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।