Print

সারাদিন

শপথ নিলেন দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্, december ২৮, ২০২৫

সারাদিন ডেস্ক

দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শপথ গ্রহণের দিন থেকেই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

পেশাগত জীবন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা

১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করা জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

বিচার বিভাগে অগ্রযাত্রা

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর তাঁর নিয়োগ স্থায়ী হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি আপিল বিভাগে নিয়োগ পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিচার বিভাগে বড় পরিবর্তন আসে। আন্দোলনকারীদের দাবির মুখে ১০ আগস্ট তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান পদত্যাগ করেন। ওই দিনই হাই কোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

Nagad
Nagad

এর দুই দিন পর বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ চারজনকে হাই কোর্ট বিভাগ থেকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৩ আগস্ট তারা শপথ নেন। বয়সসীমা অনুযায়ী বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০২৮ সালের ১৮ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে আপিল বিভাগে তাঁর সঙ্গে বিচারপতি হিসেবে রয়েছেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।