Print

সারাদিন

খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের সর্বোচ্চ মানুষের ঢল

প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহন, december ৩১, ২০২৫

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এতে স্মরণকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণ দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে জানাজা শেষ হয়। জানাজায় ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। এ ছাড়া বন্ধুপ্রতিম বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও জানাজায় অংশ নেন।

দুপুর ২টায় জানাজা শুরুর কথা থাকলেও ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে জনস্রোত ছড়িয়ে পড়ে বিজয় সরণি, খামারবাড়ি মোড়, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, শেরেবাংলা নগর, কলেজগেট, আসাদগেট ও শাহবাগসহ আশপাশের অলিগলিতে।

ভবনের ছাদ, ওভারব্রিজ ও আশপাশের উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে অনেকেই জানাজায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তীব্র ভিড়ের কারণে অনেকে সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় জানাজায় অংশ নিতে পারেননি।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইতিহাসে বাংলাদেশ এত বড় জানাজা প্রত্যক্ষ করেনি।

Nagad
Nagad

পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জানাজার পর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে সমাহিত করার কথা রয়েছে।

এ সময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিদেশি অতিথি ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। দাফন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নির্ধারিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের চলাচলেও সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।