Print

সারাদিন

অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়ল শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ

প্রকাশিত: ১১:১৪ পূর্বাহ্, জানুয়রী ৩, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

নতুন শিক্ষাবর্ষে নতুন পাঠ্যবই হাতে পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। তবে এবার মাধ্যমিক স্তরের অষ্টম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবই ‘সাহিত্য কণিকা’ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সাল পর্যন্ত অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বইয়ের গদ্যাংশে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ শিরোনামে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রকাশিত বইয়ে সেটি আর রাখা হয়নি। ফলে এবারের পাঠ্যবইয়ে গদ্য অংশের সংখ্যা ১২ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১১টিতে।

বই পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সংশোধিত পাঠ্যবইয়ে যেসব গদ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সেগুলোর মধ্যে আছে-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অতিথির স্মৃতি, কাজী নজরুল ইসলামের ভাব ও কাজ, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পড়ে পাওয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈলচিত্রের ভূত, মোতাহের হোসেন চৌধুরীর লাইব্রেরি, মমতাজউদদীন আহমদের সুখী মানুষ, মুস্তাফা মনোয়ারের শিল্পকলার নানা দিক, বিপ্রদাশ বড়ুয়ার মংডুর পথে, শামসুজ্জামান খানের বাংলা নববর্ষ, হুমায়ুন আজাদের বাংলা ভাষার জন্মকথা এবং গণঅভ্যুত্থানের কথা।

তবে কবিতাংশে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মতো এবারও বইটিতে ১৩টি কবিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জানা গেছে, আগের পাঠ্যবইয়ে ৩১ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠাজুড়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরা হতো এবং সেটিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ে ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে পাঠ্যবইয়ে থাকা কিছু বিষয়কে অতিরঞ্জিত মনে করে তা সংশোধনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনার আলোকে পাঠ্যবই সংশোধনের কাজ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

Nagad
Nagad

এই পরিবর্তন ঘিরে শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট মহলে ইতোমধ্যে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সূত্র; জাগো নিউজ