Print

সারাদিন

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়া নিয়ে জনমনে শঙ্কা: আসিফ মাহমুদ

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহন, জানুয়রী ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন বিকেল ৩টার পর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। রাস্তায় বের হলে মানুষ প্রশ্ন করছে—নির্বাচন আদৌ হবে কি না। এটি অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা। তারা এখনো জনগণকে সেই আত্মবিশ্বাস দিতে পারেনি।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়া নিয়ে নিজের দল এনসিপির মধ্যেও শঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যখন দেখি কোনো প্রার্থীর শুনানির জায়গায় তাকে ঘাড় ধাক্কা দেওয়া হচ্ছে, তখন আমাদের মধ্যেও শঙ্কা কাজ করে। বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবাধ বিচরণ ও প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ এই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ‘হতাশাজনক’ আখ্যা দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, তফসিল ঘোষণার পরদিনই চিহ্নিত আসামির হাতে ওসমান হাদি নিহত হয়েছেন। এতে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে। মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই, আগের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।

পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কা দেখা দিলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে বলা হচ্ছে। তবে কথায় নয়, তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই সেই আস্থা ফিরে আসতে হবে। যদি দেখা যায় নির্বাচনকে একতরফা আয়োজনের দিকে নেওয়া হচ্ছে বা আরেকটি পাতানো নির্বাচনের ছক আঁকা হচ্ছে, তাহলে বাধ্য হয়েই রাজপথে নামতে হবে।

Nagad
Nagad

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যাতায়াত শুরু হয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।