Print

সারাদিন

গাজায় বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান হবে না: নেতানিয়াহু

প্রকাশিত: ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। তবে এই বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এএফপি ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় বর্তমানে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর রয়েছে। এই ধাপে হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো স্থান দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এসব দেশ যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পরিচালনার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত কোনো সংস্থা বা ব্যবস্থায় কর্তৃত্ব কিংবা প্রভাব রাখতে পারবে না।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ শেষে গাজায় তুরস্ক কিংবা কাতারকে কোনো ধরনের অবস্থান তৈরি করতে দেবে না ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজায় হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করা হবে। একই সঙ্গে ইরান যদি ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়, তাহলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Nagad
Nagad

উল্লেখ্য, গাজায় কোন কোন দেশ আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীতে সেনা পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য বাহিনীর দায়িত্ব হবে গাজার সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নতুন একটি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।