Print

সারাদিন

প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহন, এপ্রিল ২৭, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্নের পর দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জহিরুল ইসলাম-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে সাধারণত ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগে। ভোটার তালিকা প্রস্তুত, নির্বাচনি সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া, কেন্দ্র নির্ধারণ ও সংস্কার এবং নির্বাচনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণা করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রাক-প্রস্তুতির জন্য ন্যূনতম ৪৫ দিন সময় প্রয়োজন।

অন্যদিকে, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া, তাই ধাপে ধাপে পরিকল্পনা অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে।

বিএনপির সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইভিএম প্রকল্প সম্পর্কে জানান, দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার মেয়াদ ছিল জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের সমাপ্তি প্রতিবেদন গত বছরের ১৩ মে বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিভাগে পাঠানো হলেও এখনো মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অডিট অধিদপ্তর এ প্রকল্পে আপত্তি তুলেছে এবং বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। পাশাপাশি, দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীনে তদন্ত চলমান রয়েছে।

Nagad
Nagad

মন্ত্রী জানান, জাতীয় বা স্থানীয় কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ইভিএমগুলো বিভিন্ন গুদাম, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেজমেন্টে সংরক্ষিত রয়েছে।

এছাড়া মো. ইলিয়াস মোল্লা-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের সুপারিশ করেছে। ঢাকা বিভাগের পাঁচটি জেলা—ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুর নিয়ে ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।