Print

সারাদিন

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ থমাস ডুলি, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাফুফের

প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহন, মে ২২, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

শেষ পর্যন্ত জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ হিসেবে থমাস ডুলিকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দীর্ঘদিনের কোচিং অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে তাকে ঢাকায় আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ডুলি। তবে বিষয়টি নিয়ে বাফুফের পক্ষ থেকে শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য না করা হলেও পরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

জাতীয় দলের সাবেক কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা বিদায়ের পর নতুন কোচ নিয়োগ নিয়ে বাফুফের প্রক্রিয়া ছিল বেশ নাটকীয়। দীর্ঘ তালিকা থেকে সংক্ষিপ্ত তালিকা, অনলাইন ইন্টারভিউ এবং একাধিক প্রার্থীর সঙ্গে আলোচনা শেষে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো ডুলিকে।

ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও ভেঙে যাওয়ার পর ডুলির নাম সামনে আসে। তিনি সম্প্রতি গায়ানার জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন।

কে এই থমাস ডুলি? তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। তিনি দলটির অধিনায়ক ছিলেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে।

স্প্যানিশ কোচ ক্যাবরেরা চার বছর চার মাসেরও বেশি সময় ধরে দলের দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদি কোচ ছিলেন এই স্প্যানিশ। তার বিদায়ের পর নতুন কোচ নিয়োগে শুরু হয় নানা নাটক। ২৭৩ থেকে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা, তারপর ১১ জনকে অনলাইন ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়।

Nagad
Nagad

প্রাক্তন ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও ভেঙে যায়। তার পুরো কোচিং স্টাফ আনার দাবি এবং উচ্চ বেতনের কারণে চুক্তি হয়নি। তবে ফুটবল সমর্থকদের অভিযোগ কোলম্যানকে নিয়ে বাফুফে নাটক করেছে।

থমাস ডুলি এ মাসেই গায়ানার কোচ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তারপর থেকেই ডুলির নাম আলোচনায় আসে। থমাস ডুলির জন্ম ১৯৬১ সালের ১২ মে জার্মানির বেচহোফেনে। তার বাবা ছিলেন আমেরিকান সেনাবাহিনীর সদস্য এবং মা জার্মান। পুরো শৈশব-কৈশোর জার্মানিতে কাটানো ডুলি জার্মান ফুটবলের পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন।

১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি জার্মানির বিভিন্ন ক্লাবে খেলে ৩৬ বছর বয়সে মেজর লিগ সকারে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। খেলেছেন ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দলের অধিনায়কও ছিলেন। মোট ৮১ ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেন।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ২০০২ সালে কোচিং পেশা বেছে নেন।