প্রকাশিত: ১২:৪২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য এক ঘণ্টার বিরতি থাকবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৫৭৩ জন। নির্বাচনকে ঘিরে গত এক মাস ধরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রার্থীদের প্রচারণা, সমর্থকদের উপস্থিতি এবং নানা কর্মসূচিতে সরগরম ছিল পুরো এলাকা।
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। একটি প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শিবা শানু ও জয় চৌধুরী।
আরমান-মুক্তি পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে নূতন ও ইলিয়াস কোবরা, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কামরুজ্জামান কমল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই প্যানেলের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী, রাকা, শারমিন আক্তার, লতিফ (চিতা), নাসরিন, সুশান্ত, শাহীন কমেডি, বাদল শেখ, আরমান খান ও শামীম খান (চিকন আলী)।
অন্যদিকে শিবা শানু-জয় চৌধুরী পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে ডি এ তায়েব ও রোজিনা, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মুশফিকুর রহমান কাকন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাদু আজাদ নির্বাচন করছেন।
এ প্যানেলের কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থীরা হলেন আলীরাজ, ফরহাদ, শিপন মিত্র, ফিরোজ শাহী, ইয়ামীন হক ববি, হাসান জাহাঙ্গীর, শিরিন শিলা, ফাল্গুনী রহমান জলি, কায়েশ আরজু ও কাবিলা।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। নির্বাচন কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও বি এইচ নিশা।
এদিকে নির্বাচন-পরবর্তী যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত আপিল বোর্ডে রয়েছেন ছটকু আহমেদ, কাজী হায়াৎ ও বাদল খন্দকার।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসিজুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।