Print

সারাদিন

কিউএস আফ্রিকা ফোরামে এআইইউবি, উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ

প্রকাশিত: ৭:৫১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। গত ৯ ও ১০ জুলাই ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার শেরাটন আদ্দিস হোটেলে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং উচ্চশিক্ষা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

‘স্কিলস, সিস্টেমস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার এবং টেকসই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

স্পন্সর ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে এআইইউবি বাংলাদেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণার সম্ভাবনা তুলে ধরে। ফোরামে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিনিধিত্ব করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইশতিয়াক আবেদীন, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট ডিন অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু মিয়া আকন্দ তুহিন।

ফোরাম চলাকালে এআইইউবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এসব চুক্তির মাধ্যমে যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রমের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এআইইউবির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ইশতিয়াক আবেদীন ও অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান।

এ ছাড়া বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে এআইইউবি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) যৌথ উদ্যোগে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম’ আয়োজনের বিষয়ে কিউএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির মতে, প্রস্তাবিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক র‌্যাংকিং উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংযোগ আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Nagad
Nagad

এআইইউবি জানিয়েছে, কিউএস আফ্রিকা ফোরাম ২০২৬-এ অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান করা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।