প্রকাশিত: ৬:২৫ অপরাহন, জুলই ২২, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান ছাত্র-যুব বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির কারণে শহরের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ (গেট) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)। এতে অফিসগামী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমআরসি জানায়, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকা ছাত্র ও যুব বিক্ষোভকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত কারণে ব্লু, ইয়েলো ও ভায়োলেট লাইনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে।
বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো— লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম।
তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে যাত্রীদের ট্রেন পরিবর্তনের (ইন্টারচেঞ্জ) সুবিধা চালু রাখা হয়েছে। ডিএমআরসি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্টেশনগুলো পুনরায় চালু করা হবে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
স্টেশনগুলোর গেট বন্ধ থাকলেও ট্রেন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করছে এবং স্টেশনেও থামছে। তবে যাত্রীরা স্টেশন থেকে বের হতে গেলে পুলিশি ব্যারিকেডের মুখে পড়ছেন। এতে অনেক যাত্রীকে বিকল্প স্টেশনে নেমে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মান্ডি হাউসসহ কয়েকটি স্টেশনের বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। গেট বন্ধ থাকায় যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ দেখা দেয়। কোথাও কোথাও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে যাত্রীদের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।
একাধিক যাত্রী জানান, গন্তব্যের কাছাকাছি স্টেশন বন্ধ থাকায় তারা বাধ্য হয়ে বাইক ট্যাক্সি বা অন্যান্য বিকল্প যানবাহন ব্যবহার করেছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।