প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহন, গাস্ট ১, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
আয়নাঘরের আলামত নষ্ট ও প্রমাণ গোপনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদরদপ্তরে থাকা র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তের সময় দেখা গেছে, ভুক্তভোগীদের বর্ণনার সঙ্গে বন্দিশালার কিছু বিষয় মিলছিল না। পরে অনুসন্ধানে কয়েকটি জায়গা দেয়াল দিয়ে ঢেকে রাখার বিষয়টি সামনে আসে। দেয়াল সরানোর পর সেখানে ২২টি কক্ষের সন্ধান পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ওই স্থানে একটি ‘ডেথ সেল’সহ মোট ২৯টি কক্ষ ছিল। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আয়নাঘরের প্রমাণ ঢাকতে যারা দেয়াল তুলে তথ্য গোপনের চেষ্টা করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।’ তিনি আরও বলেন, র্যাবের এই সেলে ব্যারিস্টার আরমানসহ বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাখা হয়েছিল। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম র্যাবের টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক, প্রসিকিউশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।