প্রকাশিত: ১:১৮ পূর্বাহ্, গাস্ট ৪, ২০২৬
তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিবেদক:
গেমার ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য দেশের বাজারে নতুন গিগাবাইট জিও২৭কিউ২৪এ গেমিং মনিটর এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। ২৭ ইঞ্চির এই কিউডি-ওএলইডি মনিটরের দাম রাখা হয়েছে ৬৩ হাজার টাকা। এতে রয়েছে কিউএইচডি (২,৫৬০×১,৪৪০) রেজল্যুশন, ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ০.০৩ মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইম।
মনিটরটিতে ব্যবহৃত হয়েছে স্যামসাংয়ের কিউডি-ওএলইডি প্যানেল, যা ৯৯ শতাংশ ডিসিআই-পি৩ রঙের পরিসর সাপোর্ট করে এবং ১.০৭ বিলিয়ন রঙ প্রদর্শনে সক্ষম। ফলে ছবি ও ভিডিওতে আরও বাস্তবসম্মত রঙ, গভীর কনট্রাস্ট এবং উন্নত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি এতে রয়েছে এইচডিআর১০ সমর্থন এবং প্রায় ১৫ লাখ:১ কনট্রাস্ট রেশিও।
গেমিংয়ের জন্য মনিটরটিতে যুক্ত করা হয়েছে এআই ব্ল্যাক ইকুয়ালাইজার, আল্ট্রা ক্লিয়ার মোশন, ওএলইডি ভিআরআর অ্যান্টি-ফ্লিকার এবং ট্যাকটিক্যাল সুইচ ২.০ প্রযুক্তি। এসব ফিচার দ্রুতগতির গেমে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় ভালো ভিজিবিলিটি নিশ্চিত করবে।
সংযোগ সুবিধার জন্য রয়েছে দুটি এইচডিএমআই ২.১, একটি ডিসপ্লেপোর্ট ১.৪ এবং একটি হেডফোন জ্যাক। ফলে গেমিং পিসি, প্লেস্টেশন ৫ কিংবা এক্সবক্স সিরিজ এক্সের মতো ডিভাইস সহজেই সংযুক্ত করা যাবে।
গিগাবাইট বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, মনিটরটির স্ট্যান্ডে সামনে-পেছনে কাত করা, ডান-বামে ঘোরানো এবং ৯০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে খাড়াভাবে ব্যবহার করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ভেসা (VESA) ১০০×১০০ মাউন্ট সমর্থন থাকায় এটি দেয়ালেও স্থাপন করা যাবে।
গিগাবাইট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘জিও২৭কিউ২৪এ মনিটরটি এমন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি, যারা ই-স্পোর্টস গেমিং, ভিডিও সম্পাদনা, গ্রাফিক্স ডিজাইন কিংবা প্রিমিয়াম ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা চান। কিউডি-ওএলইডি ডিসপ্লে, ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং দ্রুত রেসপন্স টাইমের সমন্বয়ে এটি প্রিমিয়াম গেমিং মনিটরের বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।’
তিনি আরও জানান, স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড গিগাবাইটের একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে বাংলাদেশে মনিটরটি বাজারজাত করছে।
প্রসঙ্গত-২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ২৪০ বার স্ক্রিনের ছবি হালনাগাদ হয়। ফলে দ্রুতগতির গেম, ভিডিও বা চলমান দৃশ্যে ছবির মসৃণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে, মোশন ব্লার ও স্ক্রিন টিয়ারিং কমে এবং প্রতিক্রিয়ার সময়ও দ্রুত হয়। বিশেষ করে ই-স্পোর্টস গেমারদের জন্য এটি প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ে বাড়তি সুবিধা দেয়। একই সঙ্গে ভিডিও সম্পাদনা ও উচ্চ ফ্রেমরেটের কনটেন্ট দেখার ক্ষেত্রেও আরও স্বচ্ছ ও প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।