Print

সারাদিন

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বরিশাল বিভাগ

প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহন, গাস্ট ১১, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

জুলাই মাসে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে বরিশাল বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করে শীর্ষে উঠে এসেছে বিভাগটি।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জুলাই মাসে বরিশাল বিভাগের জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হাজার ৮৯৬টি। এর মধ্যে নিবন্ধন হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৩টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৬৪টি, যার বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ৪ হাজার ৪৮৮টি। সব মিলিয়ে অর্জনের হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

এ তালিকায় ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ অর্জন করে দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর বিভাগ।

জেলা পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা হয়েছে পটুয়াখালী। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে জেলার অর্জন ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬৯২টি, যার বিপরীতে হয়েছে ২ হাজার ১৯৯টি। আর মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ৭৩০টির বিপরীতে হয়েছে ১ হাজার ৬৭টি নিবন্ধন।

জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। তাদের অর্জনের হার ১০৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

Nagad
Nagad

উপজেলা পর্যায়ে সবার ওপরে রয়েছে পটুয়াখালীর গলাচিপা। জুলাই মাসে সেখানে জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি, বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ৬৩৭টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি, যার বিপরীতে হয়েছে ৩১৮টি। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন মিলিয়ে গলাচিপার গড় অর্জন ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় হয়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলা। তাদের অর্জনের হার ১৩০ শতাংশ।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, দেশসেরা হওয়ায় তারা আনন্দিত। জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ও সহযোগিতায় এ ফলাফল সম্ভব হয়েছে।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এ অর্জন জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকারের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আহসান হাবিব বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বরিশাল বিভাগ, পটুয়াখালী জেলা ও গলাচিপা উপজেলা প্রথম হওয়া আনন্দের খবর। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সহযোগিতায় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।