প্রকাশিত: ৪:৫৮ অপরাহন, গাস্ট ১৯, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের শিক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই জীবিকা ও নারী ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬-এর পাঁচ বিজয়ী প্রকল্পের নাম ঘোষণা করেছে এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। দেশব্যাপী নির্বাচিত এসব সামাজিক উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে।
২০২৬ সালের বিজয়ী প্রকল্পগুলো হলো-কক্সবাজারের ‘কোস্টাল লাইফলাইন’, সিরাজগঞ্জের ‘অ আ ক খ স্কুল’, সাতক্ষীরার ‘উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা/ভিএএন প্রজেক্ট’, খুলনার ‘সুন্দরবনের নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন’ এবং রাজশাহীর ‘প্রজেক্ট উদয়’।
কক্সবাজারের ‘কোস্টাল লাইফলাইন’ মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগঝুঁকিতে থাকা ও অসচ্ছল মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করবে।
সিরাজগঞ্জের ‘অ আ ক খ স্কুল’ মো. আবদুল্লাহ রনির নেতৃত্বে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে।
সাতক্ষীরার ‘উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা/ভিএএন প্রজেক্ট’ মো. হাবিবুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে উপকূলের মানুষের জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে।
খুলনার ‘সুন্দরবনের নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন’ প্রকল্পটি শুভ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে নারীদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা তৈরিতে কাজ করবে।
অন্যদিকে সাবরিনা হকের পরিচালনায় রাজশাহীর ‘প্রজেক্ট উদয়’ স্থানীয় অসচ্ছল পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও জীবনমান বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
এলজি জানিয়েছে, বিজয়ী প্রকল্পগুলোকে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক সহযোগিতা ও পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রকল্পগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।
এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের শাখা প্রধান সুনঘো চুন বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে সহায়তা করে আসছে। ‘লাইফস গুড’ শুধু একটি ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নয়, মানুষের জীবনকে আরও ভালো করার প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগে বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক মূল্য সৃষ্টি করে এমন প্রকল্পকে সমর্থনের মাধ্যমে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, শক্তিশালী ও টেকসই সমাজ গঠনে অবদান রাখতে তারা কাজ করে যাচ্ছে।