প্রকাশিত: ৪:৪২ অপরাহন, গাস্ট ২২, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশালের রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এ রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া তিনটি ছোট সেতুও নির্মাণের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নদীবেষ্টিত জেলা হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে মূলত নৌপথনির্ভর। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে নৌপথের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের অন্যতম সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি কার্যকর বিকল্প পথ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।