Print

সারাদিন

৫২ প্রতিযোগীকে হারিয়ে মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া হলেন কাজিয়া

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহন, গাস্ট ২৪, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

৫২ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬’-এর মুকুট জিতেছেন ভারতের কেরালার ১৯ বছর বয়সী কাজিয়া লিজ মেজো। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ৭৫তম ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) ভারতের জয়পুরে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। সেখানে বিজয়ীর মুকুট ওঠে কেরলের তরুণী কাজিয়ার মাথায়।

আগামী নভেম্বরে পুয়ের্তো রিকোতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৫তম আসর। সেখানে ভারতের হয়ে অংশ নেবেন কাজিয়া।

কেরলের মাভেলিকারার বাসিন্দা কাজিয়া বর্তমানে আইনের ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি মডেলিং, নাচ ও অভিনয়ের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। তবে ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া’ তার প্রথম সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার শিরোপা নয়।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ‘মিস টিন ডিভা ২০২৪’ খেতাব জেতেন কাজিয়া। এরপর ২০২৫ সালে ‘মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হন। চলতি বছর ‘মিস ইউনিভার্স কেরল’ নির্বাচিত হওয়ার পর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৫২ প্রতিযোগীকে হারিয়ে ভারতের সেরার মুকুট জিতে নেন কাজিয়া। এ অর্জনের মধ্য দিয়ে নতুন ইতিহাসও গড়েছেন তিনি। কেরল থেকে প্রথম প্রতিযোগী হিসেবে ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া’ খেতাব জিতলেন কাজিয়া।

Nagad
Nagad

আইনের ছাত্রী হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী। প্রায় ১২ বছর ধরে নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। ড্রামস ও ভায়োলিনও বাজাতে পারেন কাজিয়া। অভিনয়ের প্রতিও রয়েছে তার আগ্রহ। মালয়ালম সিনেমা ‘শাইলক’-এর মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রাখেন তিনি।

২০০৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে জন্ম কাজিয়ার। শৈশবের একটি বড় সময় কেটেছে সেখানেই। পরে কেরলে ফিরে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যান তিনি।

এবারের প্রতিযোগিতায় তামিলনাড়ুর বৈষ্ণবী গণেশ প্রথম রানারআপ এবং গুজরাটের অনুশ্রী সাতাভেলকর দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন। একই আয়োজনে ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়া’ খেতাবও জিতেছেন অনুশ্রী।

২০২৫ সালের ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া’ বিজয়ী মণিকা বিশ্বকর্মা নতুন বিজয়ী কাজিয়ার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন।

শিরোপা জয়ের পর আবেগাপ্লুত কাজিয়া বলেন, গত তিন বছর ধরে তিনি এই মুহূর্তের জন্য পরিশ্রম করছিলেন। শেষ পর্যন্ত মুকুটটি কেরলে নিয়ে যেতে পারাটাই তার সবচেয়ে বড় আনন্দ।

জাতীয় মুকুট জয়ের পর এবার বিশ্বমঞ্চে সাফল্য পাওয়াই কাজিয়ার নতুন লক্ষ্য।