প্রকাশিত: ১০:২০ পূর্বাহ্, গাস্ট ২৯, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও বড় আকার ধারণ করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই বছর বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ফলে বিশ্বে অর্থনীতির আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৩২তম।
কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট আইএমএফের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাসের ভিত্তিতে ২০৩০ সালের বিশ্বের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরেছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি ওই সময় মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের চেয়ে বড় হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার জিডিপি হতে পারে প্রায় ৬৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ভিয়েতনামের অর্থনীতি ৬৬৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ফলে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য জিডিপি নিয়ে বাংলাদেশ তাদের ছাড়িয়ে যাবে।
এদিকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ২০৩০ সালেও শীর্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থনীতির আকার প্রায় ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে চীন, যার জিডিপি হতে পারে প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির অবস্থান নিয়ে জার্মানি ও ভারতের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জার্মানির জিডিপি ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন এবং ভারতের ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দুই দেশের ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার।
এশিয়ায় চীন ও ভারতের পর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে জাপান। দেশটির জিডিপি প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এরপর থাকবে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।
আইএমএফের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে ২০৩০ সালের এই হিসাব একটি পূর্বাভাস-অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, মুদ্রার বিনিময় হারসহ বিভিন্ন বিষয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে।