Print

সারাদিন

৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলকে গ্রামীণফোন একাডেমি, সাড়া এআই কোর্সে

প্রকাশিত: ১১:১১ পূর্বাহ্, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

তরুণদের জন্য গ্রামীণফোনের বিনামূল্যের অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম ‘গ্রামীণফোন একাডেমি’ ৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করেছে। গত আট মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪০ হাজার তরুণ প্ল্যাটফর্মটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক বিভিন্ন কোর্সে অংশ নিয়েছেন।

গ্রামীণফোনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, পরিবর্তনশীল চাকরির বাজারে ডিজিটাল ও এআই দক্ষতার চাহিদা বাড়ার বিষয়টিই তরুণদের এসব কোর্সে আগ্রহের প্রতিফলন।

গ্রামীণফোন একাডেমির এআই কর্মসূচিতে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই এজেন্ট, ক্রিয়েটিভ ইন্টেলিজেন্স, ওয়ার্কফ্লো অটোমেশন, এআইয়ের সহায়তায় পোর্টফোলিও তৈরি, কোডিং ছাড়াই অ্যাপ নির্মাণ, এআইনির্ভর ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা এবং মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয় শেখানো হচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটির বিভিন্ন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে ইতোমধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী সনদ পেয়েছেন।

গ্রামীণফোনের পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন বিভাগের প্রধান ফারহানা ইসলাম বলেন, প্রতিবছর প্রায় ২২ লাখ মানুষ বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বাজারে প্রবেশ করছেন। দেশের মোট বেকার জনগোষ্ঠীর ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশ তরুণ। একই সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার ধরনও বদলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের সময়োপযোগী ও সহজলভ্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন এবং এআই কোর্সে তরুণদের ব্যাপক অংশগ্রহণ তাদের শেখার আগ্রহের প্রমাণ।

পটিয়ার বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আমান উল্লাহ আমান জানান, গ্রামীণফোন একাডেমির মাধ্যমে তাঁর যোগাযোগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা উন্নত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি ডেলয়েট বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি পড়ার পাশাপাশি তাঁর এলাকার তিন শতাধিক তরুণের মধ্যে অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

Nagad
Nagad

গ্রামীণফোন জানিয়েছে, ডিজিটাল, পেশাগত ও উদীয়মান প্রযুক্তির দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি তরুণদের ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের উপযোগী করে তোলাই গ্রামীণফোন একাডেমির লক্ষ্য। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো, নতুন আয়ের পথ তৈরি এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।