Print

সারাদিন

আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

প্রকাশিত: ২:১৫ পূর্বাহ্, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার পান্নার দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা চিঠিতে এসব তথ্য ও নথি চাওয়া হয়। দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর নামে দেশের সব ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা চালু, সুপ্ত ও বন্ধ হিসাবের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাব, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লকার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর, ডিপিএস ও ঋণসংক্রান্ত নথি রয়েছে। এসব হিসাবের লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডও চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি কেনা, বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাব, অর্থপাচার ও শেল কোম্পানি গঠনের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য চেয়েছে দুদক। এসব দেশে আসিফ মাহমুদ, তার স্ত্রী কিংবা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কোনো সম্পদ বা বিনিয়োগ রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিতে বিএফআইইউকে অনুরোধ করা হয়েছে।

দুদকের নথিতে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ ও বিদেশে শেল কোম্পানি গঠনের মতো অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা জানায় দুদক।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, অনুসন্ধানের আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ, বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক পদায়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের টেন্ডার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

Nagad
Nagad

এ ছাড়া অভিযোগে বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার ও সম্পদ অর্জনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো অনুসন্ধানাধীন; অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্তের কথা দুদক জানায়নি।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাহেদ কালাম এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।