Print

সারাদিন

বোয়িং চুক্তিতে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহন, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাম্প্রতিক চুক্তির পেছনে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিমানের বহর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বিমান চলাচলের কেন্দ্র হতে হলে দেশের উড়োজাহাজের বহর সম্প্রসারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই; দেশের প্রয়োজন বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশের বিমান চলাচল খাতের স্বার্থে বিভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজের সমন্বয়ে একটি বহর রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করে। চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে।

এর আগে এ বছরের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে সরকার। ওই চুক্তির মূল্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং এটি বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ ক্রয়াদেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। নতুন ১১টি উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ায় এ বছর বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট ক্রয়াদেশ দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।

Nagad
Nagad

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণকে ‘সফল ও অর্থবহ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। নিউইয়র্কে চার দিনের সফরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করেন হুমায়ুন কবির।

ব্রিফিংয়ে আন্তঃসরকারি সংস্থা অনুবিভাগের সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব (জনকূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকার বিষয়) এ কে এম শহীদুল করিম উপস্থিত ছিলেন।