Print

সারাদিন

জাপানে কর্মী পাঠাতে নতুন চুক্তি, নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে

প্রকাশিত: ১২:১৫ অপরাহন, অক্টোবর ১৯, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত নতুন চুক্তি সই হয়েছে। ‘ইএসডিপি-এমওসি’ নামের এ চুক্তির আওতায় আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান। চুক্তির ফলে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও আইনি সুরক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টার পর গত ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে ‘মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট’ (ইএসডিপি-এমওসি) চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে চুক্তিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পক্ষের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়বে। ফলে চুক্তির মোট মেয়াদ হবে ১০ বছর।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, চুক্তির আওতায় কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মী পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা বাড়বে। এর ফলে তাঁরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।

Nagad
Nagad

মন্ত্রী আরও বলেন, এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ করে, গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে নারী বিদেশি কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা কিংবা তাঁদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসবের কারণে জোর করে দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যতামূলক বিধানও চুক্তিতে রাখা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, এ চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।