প্রকাশিত: ১১:০৮ পূর্বাহ্, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
সারাদিন ডেস্ক
ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছিল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি। তবে অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পায়নি দেশটির পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে ইসরায়েলের দৈনিক ইসরায়েল হায়োমের বরাতে বলা হয়, আরব-ইসরায়েলি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিল লিকুদ পার্টি। তবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসব অভিযোগের পক্ষে বাস্তবসম্মত বা আইনগত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো ভিত্তি তাদের হাতে নেই।
এর আগে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ দাবি করেছিল, আরব রাজনৈতিক দলগুলো সুসংগঠিত ঘুষ লেনদেন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সহিংসতা, জালিয়াতি এবং নিষিদ্ধ সফটওয়্যার ব্যবহার করে নির্বাচন ‘চুরি’ করেছে। দলটির পক্ষ থেকে শত শত প্রমাণ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পুলিশ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এবং নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার দাবি করা হয়েছিল।
তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা
এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর উল্লেখযোগ্য উত্থান ঘটে। তারা সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট ৫৩টি আসন এবং বিরোধী দলনেতা গাদি আইজেনকোটের জোট ৪৮টি আসন পাওয়ায় কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি।
এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই লিকুদ পার্টি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তোলে।