Print

সারাদিন

তাহসিফ হত্যা: সেই দিশার ৪ দিনের রিমান্ড

প্রকাশিত: ৩:৩৮ অপরাহন, নভম্বর ১, ২০২৬

সারাদিন ডেস্ক

বিমানবাহিনীর চাকরিচ্যুত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় কথিত বান্ধবী জেরিকা তাসনীম দিশাকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) বেলা ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, দিশা নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ঘটনার রাতে উত্তরার নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রবেশের সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফ, তাঁর বন্ধু দীপ এবং ওই তরুণীকে দেখা গেছে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে পৌঁছান তাহসিফ, দীপ ও ওই তরুণী। প্রথমে তাহসিফ ও ওই তরুণী একটি মোটরসাইকেলে সেখানে যান। কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে পৌঁছান দীপ। পরে তিনজনকে একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

রেস্টুরেন্টের আরেকটি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ ও ওই তরুণী লিফটের সামনে অপেক্ষা করছেন। কিছুক্ষণ পর হেলমেট পরা অবস্থায় সেখানে পৌঁছান দীপ। এরপর তিনজন একসঙ্গে লিফটে ওঠেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ১১টা ৫১ মিনিটে তাঁদের রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে দেখা যায়। পরে মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান তাঁরা।

রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার পর তিনজন কোথায় গিয়েছিলেন, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

Nagad
Nagad

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বন্ধু দীপকে প্রথমে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং সেসব স্থানে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তথ্য দেন দীপ। তবে তাঁর বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া গেছে বলে দাবি তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে পিবিআই।

নৌ পুলিশের সূত্র জানায়, দীপের আগের বক্তব্য, পরিবারের করা মামলার অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং তদন্তে পাওয়া আলামত মিলিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাহসিফের মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।