ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা, ঈদের জামাতে মুখর দেশজুড়ে মুসল্লিরা
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত শেষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নামাজ শেষে তিনি দেশের মানুষের জন্য শান্তি, সুস্থতা ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, “এই উৎসব আমাদেরকে সহনশীলতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। আসুন, আমরা সবাই সমাজে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে দিই।”
রাজধানীজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ
ঈদের জামাতের পর রাজধানীর অলিগলি ও পাড়া-মহল্লায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। মুসল্লিরা নামাজ শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর শুরু হয় কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা। পশু কোরবানির স্থানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঈদে বিশেষ নিরাপত্তা
ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় ঈদগাহসহ রাজধানীর ১১৮টি ঈদগাহ ও ১,৬২১টি মসজিদে ঈদের জামাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ঈদগাহের আশপাশে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ছাড়াও স্থাপন করা হয় অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম।
গ্রামবাংলায় ঈদের আনন্দ
শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে ত্যাগ ও ধর্মীয় আবেগে। গ্রামীণ পরিবেশে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিয়ে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস বণ্টনের আয়োজন চলে দিনভর। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস, বড়দের মধ্যে আত্মীয়তায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে সর্বত্র।

