জরুরি বিভাগে নেই ডাক্তার, সেলাই করালেন ওয়ার্ড বয়

পঞ্জগড় সংবাদাদতা:পঞ্জগড় সংবাদাদতা:
প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহন, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় গুরুতর আহত এক শিশুকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে সেলাই করাতে হয়েছে। সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় গুরুতর আহত এক শিশুকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে সেলাই করাতে হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আটোয়ারীর জুগিকাটা গ্রামের ফরহাদ হোসেনের ছেলে মেহেদি হাসান খেলতে গিয়ে হাত কেটে ফেললে তাকে দ্রুত বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। কিন্তু সেখানে জরুরি বিভাগে কোনো ডাক্তার না থাকায় ওয়ার্ড বয় শহিদুল ইসলাম শিশুর আঙুলে দুইটি সেলাই দেন। প্রায় ২০ মিনিট পর বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানালে তড়িঘড়ি করে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রোমেনা বেগম জনি হাসপাতালে আসেন।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গলা ব্যথার রোগী রঞ্জন বলেন, আমি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে জরুরি বিভাগে বসে আছি। কিন্তু এখানে কোনো ডাক্তার নেই। জরুরি বিভাগে যদি ডাক্তারই না থাকে, তাহলে সাধারণ রোগীরা কীভাবে চিকিৎসা নেবে?

অভিভাবক সানজানা ইসলাম জানান, তার ছেলে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসলেও ৪০ মিনিট ধরে চিকিৎসক না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। একইভাবে মমতা নামের এক নারী রোগী অভিযোগ করেন, জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় একের পর এক রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. রোমেনা বেগম জনি বলেন, “আমার ছোট বাচ্চা থাকায় আধা ঘণ্টা দেরি হয়েছে। ইমারজেন্সি রোগী আসলে আমাকে জানানো হয়। কিন্তু সেই সময় আমাকে ইনফর্ম করা হয়নি।”

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুল কবীর বলেন, জরুরি বিভাগে ডাক্তার ছিল না, এটা আমার জানা নেই। তবে ২৪ ঘণ্টাই ডাক্তার থাকেন। সেই সময় কোন ডাক্তার দায়িত্বে ছিলেন খোঁজ নিয়ে জানানো হবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Nagad