সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলিতে একক ক্ষমতা নিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নে একক ক্ষমতা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রভাষক থেকে অধ্যাপক-সব পদেই বদলি ও পদায়ন করবে মন্ত্রণালয়।
এর আগে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে বদলি করতেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) মহাপরিচালক। সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে বদলি করত মন্ত্রণালয়।
নতুন এই সিদ্ধান্তে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাজ নীতিনির্ধারণ; বদলি নিয়ে ব্যস্ত থাকা নয়। এতে তদবির ও সচিবালয়ে ভিড় বাড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কলেজের শিক্ষক বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৫’ গত ৩০ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে। সব আবেদন অনলাইনে করতে হবে এবং অধ্যক্ষের মাধ্যমে অগ্রায়ন করে পাঠাতে হবে।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক তদবির বা ডিও লেটারের মাধ্যমে বদলির চাপ প্রয়োগকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে। অসম্পূর্ণ পিডিএস গ্রহণযোগ্য নয় এবং অনলাইন ব্যতীত অন্য কোনো আবেদন বিবেচিত হবে না।
তবে মাউশির এক পরিচালক বলেন, ‘অনলাইনেও অনিয়ম-জালিয়াতির সুযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয় সব বদলি নিজেদের হাতে রাখলে স্বচ্ছতা নয়, বরং কেন্দ্রীয়করণই বাড়বে।’
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষা উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আগ্রহেই বদলি-পদায়নের সব ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের হাতে নেওয়া হয়েছে।

